শিল্পনগরীর মাটিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জমি ও মৎস্য খামার

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার বিসিক শিল্পনগরী প্রকল্পের কাজে ধীরগতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফসলি জমি ও মৎস্য খামার। অপেক্ষাকৃত উঁচু ভূমিতে নির্মাণাধীন প্রকল্প ভরাটের মাটি গড়িয়ে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা। এর প্রতিকার চেয়ে সম্প্রতি জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন ক্রোক গ্রামের নুরুল ইসলাম। ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের পক্ষে করা এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অদ্যাবধি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর বাস্তবায়নে বরগুনা জেলা শহরের ক্রোক মৌজায় বিসিক শিল্পনগরী বরগুনা শীর্ষক প্রকল্পটির ২০১১ সালে জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত কাজের মেয়াদ নির্ধারিত ছিল। পরবর্তীতে আবার ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত এই প্রকল্পে প্রায় ২ হাজার ২০০ জনবলের যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বরগুনা বিসিক শিল্পনগরী প্রকল্পের ভরাটকৃত বালিমাটি পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকা থেকে উঁচু। বর্ষা মৌসুমের বর্ষণে এই বালি-মাটি ক্ষয় হয়ে (ওয়াস আউট) প্রকল্প সংলগ্ন এলাকার ফসলি জমি ও মৎস্য খামারে প্রবেশ করছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে জমির মালিক ও খামারিরা। এ ব্যাপারে বিসিক শিল্পনগরীর প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

অপরদিকে, প্রকল্পের ধীরগতি ও ওয়াসআউটে পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি ও মৎস্য খামারের ক্ষতির কারণ জানতে চাইলে বরগুনা বিসিক জেলা কর্মকর্তা মো. খায়রুল বাসার প্রতিদিনের সংবদকে মুঠোফোনে জানান, কিছুটা অফিসিয়াল সমস্যা আছে। তা ছাড়া প্রকল্প পরিচালক ঢাকায়, তিনি ঢাকাই থাকেন। সপ্তাহ দুই আগে বরগুনা ছিলেন। তিনি আরো জানান, ঢাকা থেকে টিম এসে রিপোর্ট করার পর কাজ শুরু হবে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২০১৭ সালের মে মাসের দিকে প্রকল্পের বালু-মাটি ভরাট সম্পন্ন হলেও তা রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আজ আমরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।

"