ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ফিন্যান্স বিভাগের নিয়োগ বোর্ড আবারও স্থগিত

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

এ আর রাশেদ, ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড আবারও স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার অনিবার্য কারণে এ নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আবদুল লতিফ। পরবর্তীতে নতুন করে তারিখ ঘোষণা করা হলে নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হবে জানান তিনি।

জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে দুটি শূন্য পদে (প্রভাষক) শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রশাসন। এরপর ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি নিয়োগ বোর্ডের তারিখ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বোর্ড স্থগিত করে প্রশাসন। তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার।

প্রকাশিক বিজ্ঞপ্তিতে ওই দুটি শূন্য পদের (প্রভাষক) বিপরীতে ২৪ জন প্রার্থী আবেদন করেন। ওই সময় ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন সহকারী অধ্যাপক রুহুল আমিন। শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বিতর্কিত ওই নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করার জন্য নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. এম শাহ নওয়াজ আলিকে আহ্বায়ক করে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। কমিটিকে যথাশীঘ্র প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এ প্রতিবেদন জমা দেননি বলে জানা যায়।

গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় ফিন্যান্স বিভাগের নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ নিয়ে আজ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘তদন্ত ছাড়াই বিতর্কিত নিয়োগ’ শিরোনামে সংবাদ পরিবেশিত হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনুষ্ঠিতব্য বোর্ডটি অনিবার্য কারণ দেখিয়ে স্থগিত করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগেও কয়েকবার ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে অপ্রতিকর ঘটনার কারণে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী গতকাল সোমবার ফিন্যান্স বিভাগের বোর্ড অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণ দেখিয়ে তা স্থগিত করে প্রশাসন। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো স্থগিত হলো বিভাগটির নিয়োগ বোর্ড।

এ দিকে বার বার নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা।

"