বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্ভোগ

খানাখন্দে ভরা কুবির রাস্তা

প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৮, ০০:০০

স্বকৃত গালিব, কুবি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে চলাচলের রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। সংস্কার না করায় রাস্তাগুলো চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে রাস্তাগুলো কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখে পড়বে ইটের তৈরি খানাখন্দে ভর্তি রাস্তা, আর এ রাস্তা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো নিয়মিত চলাচলের ফলে রাস্তাটির অবস্থা আরো নাজুক হয়ে পড়েছে। প্রশাসনিক ভবনের রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে পাশের টিলার মাটি এসে ভরে যায়। এ রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচল করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ বাস, শিক্ষকদের বাস ও অন্য গাড়িগুলো। শহীদ মিনারের রাস্তাটি দিয়ে নির্মাণকাজের ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তার দুই পাশ দেবে গিয়ে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ক্যাফেটেরিয়ার থেকে কেন্দ্রীয় মসজিদ পর্যন্ত রাস্তাটি পানির তোড়ে ভেঙে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসা অনুষদের সামনে দিয়ে, বিজ্ঞান অনুষদ পর্যন্ত কংক্রিটের (রড সিমেন্ট দিয়ে তৈরি) রাস্তাটি, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের নির্মাণকাজের ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তাটি ভেঙে পায়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাস্তাগুলো সংস্কারের জন্য কার্যত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

এ নিয়ে বাংলা বিভাগের ছাত্রী রওশন জাহান অভিযোগ করেন, সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাগুলোয় কাদাপানি জমে যাওয়ায় ছেলেরা কষ্ট করে চলাচল করতে পারলেও, মেয়েদের পড়তে হয় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে।

ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল হায়াত প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, সামান্য বৃষ্টিতে যেমন রাস্তাগুলো জল আর কাদায় পরিপূর্ণ থাকে, তেমনি শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দায় হয়ে যায়। দিন দিন এ অবস্থা প্রকট আকার ধারণ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদ উল্লাহ খান প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ক্যাফেটেরিয়া থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত রাস্তাটি বাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রাস্তা আরসি (রড সিমেন্ট) ঢালাইয়ের জন্য ২০০ কোটি টাকার বাজেট রয়েছে, কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে টেন্ডার ডাকা সম্ভব হচ্ছে না। আশা করছি সব জটিলতা শেষ হলে, ছয় মাসের ভেতরে টেন্ডারকাজ সম্পন্ন করা যাবে।

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. শহাবুদ্দিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা শিকার করে বলেন, ‘দ্রুত টেন্ডারকাজ শেষ করে, দুর্ভোগ লাঘবের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

 

"