ঈশ্বরগঞ্জে পরিত্যক্ত সেতুতে দোকানপাট

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০

রুহুল আমিন রিপন, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ)

ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কে এক সময় ব্যস্ততম সেতুটি এখন পরিত্যক্ত। কিন্তু যানচলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে পাশেই। পুরাতন সেতুটি দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করতো। সম্প্রতি সেতুর অর্ধেক অংশ দখল করে বসেছে দোকান পাট। কিন্তু দখল মুক্ত করার উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। জেলার ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা সদর দিয়ে বয়ে যাওয়া কাঁচামাটিয়া নদী পার হয়ে চলাচল করতে হয় ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ চলাচলকারী যানবাহনকে। সড়কের ঈশ^রগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পাশাপাশি দুটি সেতুর একটি সচল, অপরটি পরিত্যক্ত। পরিত্যক্ত সেতুটি দিয়ে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা সদরের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের অন্তত ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিরাপদে চলাচল করতো। মহাসড়কে সব সময় দ্রুত গতির যান চলাচল করায় পুরন সেতুটি ধরেই শিক্ষার্থীরা বেশি যাতায়াত করে। কিন্তু সম্প্রতি পুরাতন সেতুটির প্রায় অর্ধেক অংশ দখল হয়ে গেছে। কাগজ টানিয়ে বেশ কয়েকটি দোকান বসেছে সেতুটির দুইপাশ ধরেই। সেতুতে দোকান বসে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা সেতুটি দিয়ে চলচলে নিরাপদ বোধ করে না এখন। এমন কি ওই এলাকায় শিক্ষার্থীদের উত্ত্যাক্তের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ আছে। সড়কে চলাচলকারী কয়েজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, সেতুটি আগে উন্মুক্ত ছিল। নিরাপদে যাওয়া আসা করা যেত স্কুল কলেজে। কিন্তু সেতুটিতে কাগজ টানিয়ে দোকান বসে যাওয়ায় তারা আগের মতো স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারে না।

ঈশ^রগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, পুরাতন সেতুটি দিয়ে ছাত্রীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারত। কিন্তু গত কিছু দিন যাবৎ সেতুটির প্রায় অর্ধেক অংশে দোকান পাট বসে গেছে। এতে ছাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে সেতুটি দিয়ে চলাচল করতে পারে না। বিষয়টি তিনি কয়েক দফা আইনশৃংখলা সভায় উত্থাপনও করেছিলেন। তিনি বলেন, সেতুটির ওপর দোকানগুলো সরিয়ে এটির সংস্কার করে শিক্ষার্থীদের চলাচলের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। ঈশ^রগঞ্জ পৌর সভার মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, সেতুর ওপরে দোকান পাট থাতকেই পারে না। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিস শরমিন বলেন, ‘সেতুটি থেকে দোকানপাটগুলো সরে যাক এটি আমিও চাই। তবে যেহেতু এটি পৌর এলাকায় সে জন্য মূল উদ্যোগটি নিতে হবে পৌর কর্তৃপক্ষকেই। পৌর সভা চাইলে সহযোগিতা করে অব্যবস্থাপন গুলো রোধে কাজ করবো।’

 

"