বেরোবির সাবেক উপাচার্যর বিরুদ্ধে দুদকের চিঠি

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৮, ০০:০০

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ বিষয়ে সুষ্ঠ অনুসন্ধানের স্বার্থে বিভিন্ন রেকর্ডপত্র (কাগজ) পর্যালোচনার জন্য রেজিস্টার বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত বৃহস্পতিবার দুদকের নির্দেশনায় সংস্থার সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুরের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে সাবেক ভিসির বিষয়ে ১০টি তথ্য চাওয়া হয়।

দুদকের চিঠিতে ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চার অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি নূর-উন-নবীর আপ্যায়ন খাতে বরাদ্দ ও ব্যয়, টিএ/ডিএ খাতে বরাদ্দ ও ব্যয়ের বিল-ভাউচার, ভ্রমণসূচি ও অফিস আদেশসহ সংশি¬ষ্ট রেকর্ডপত্রের ফটোকপি চাওয়া হয়েছে। কর্মকালীন তিনি ভিসির পদ ছাড়াও আর কোনো কোনো পদে কি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণসহ তার কর্মকালীন ড. ওয়াজেদ রিসার্স ইনস্টিটিউটে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে এমফিল ও পিএইচডি কোর্সে ভর্তিকৃত গবেষণা, তাদের সুপারভাইজররা, ইউজিসির বৃত্তি প্রাপ্ত গবেষকদের তালিকা, ইনস্টিটিউটে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকা চেয়েছে দুদক। ২০১৫ সালের ১৭ এপ্রিল ৪৩তম এবং ১৮ সেপ্টেম্বর ৪৫তম সিন্ডিকেটের রেজুলেশনের সত্যায়িত ফটোকপিও চেয়েছে দুর্নীতি দমনকমিশন।

অন্যান্য তথ্যে সঙ্গে ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালে চার অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ির জ্বালানি খাত ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে বরাদ্দ এবং সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে এমনূর-উন-নবী ব্যবহৃত গাড়ির জ্বালানি খাত ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে মোট ব্যয়, ভর্তি পরীক্ষার সম্মানী বাবদ টাকা উত্তোলন এবং উক্ত সালে ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন ’ শীর্ষক ফান্ডের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও চেয়েছেন দুদক। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার ইব্রাহীম কবির নিশ্চিতকরেছেন।

"