চসিক নির্বাচন

৬ দিনে প্রশিক্ষণ নেবে ১৬ হাজার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২০, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। চসিক নির্বাচনের জন্য অতিরিক্ত ৫ শতাংশসহ মোট ১৬ হাজার ১৬৩ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৭৩৫ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৪ হাজার ৮৮৬ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ৯ হাজার ৭৭২ জন পোলিং অফিসার।

গতকাল শুক্রবার থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে চলবে আগামী বুধবার পর্যন্ত। ৯টি ভেন্যুতে প্রশিক্ষণ হওয়ার কথা রয়েছে। তার মধ্যে গতকাল চারটি ভেন্যুতে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। সেগুলো হলো, কুলগাঁও সিটি করপোরেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিডিএ পাবলিক স্কুল, খাজা আজমেরি উচ্চবিদ্যালয় এবং পাহাড়তলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। বাকি ভেন্যুগুলো হলো, রহমানিয়া উচ্চবিদ্যালয়, ডা. খাস্তগীর সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, শাহ ওয়ালিউল্লাহ স্কুল, কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি স্কুল (বালিকা শাখা)।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামরুল আলম প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, চসিক নির্বাচনের জন্য চারটি ভেন্যুতে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ছয় দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ চলবে। প্রথম দিনে দক্ষিণ পাহাড়তলী, জালালাবাদ, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, মোহরা, পূর্ব ষোলশহর, উত্তর পাহাড়তলী, উত্তর কাট্টলী, পাহাড়তলী, পাঠানটুলি, পূর্ব মাদারবাড়ী ও গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ হচ্ছে।

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের স্টাফ অফিসার বুলবুল আহমেদ প্রতিদিনের সংবাদ বলেন, চসিক নির্বাচনের জন্য অতিরিক্ত ৫ শতাংশসহ মোট ১৬ হাজার ১৬৩ জন ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ হবে। তিন ধাপে এই প্রশিক্ষণ চলবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত। প্রথম ধাপে ৫ হাজার করে কর্মকর্তা অংশ নিয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ১২০ জন প্রশিক্ষক। এই দিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চসিক নির্বাচনে ৩৮টি মতো অভিযোগ পড়েছে। সব অভিযোগ সমাধান করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম হোসেন প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, চসিক নির্বাচনের জন্য প্রায় ১১ হাজার ৬০০ ইভিএম মেশিন ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে তিন ধাপে ইভিএম মেশিন ও সরঞ্জামগুলো এসেছে।

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মুনির হোসাইন খান জানিয়েছেন নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে কমিশন থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তারা ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি সংক্রান্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।

 

"