মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন বিষয়ক আলোচনা

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

গত মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ পুষ্টি সমিতির উদ্যোগে এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ) এর সহায়তায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের সভাকক্ষে বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদপত্র হতে আগত প্রায় ৪০ জন সাংবাদিকগণের অংশগ্রহনে ‘মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন, ২০১৩ ও বিধিমালা, ২০১৭’ বিষয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান এবং সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুষ্টি সমিতির সভাপতি, অধ্যাপক ডঃ এস কে রায়। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুষ্টি সমিতি এর কোষাধক্ষ্য মো: ইসহাক আলী এবং সহ সাধারন সম্পাদক জনাব খুরশীদ জাহান।

বাংলাদেশ পুষ্টি সমিতির প্রেসিডেন্ট, অধ্যাপক ডঃ এস কে রায় আইন ও বিধিমালা অনুসারে উল্লেখযোগ্য বিধি নিষেধ সমূহ উপস্থাপন করেন। সেখানে বলা হয়, কোন আমদানিকারী, স্থানীয়ভাবে উৎপাদনকারী, বিপণনকারী, বিক্রয় বা বিতরণকারী বা কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কোন ধরনের বিজ্ঞাপন মুদ্রণ, প্রদর্শন, প্রচার বা প্রকাশ বা অনুরূপ কোন কাজ করতে পরবে না; কোন ধরনের জনসচেতনতামূলক কাজ করতে পারবে না; স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, স্বাস্থ্য, পুষ্টি বা শিক্ষা ক্ষেত্রের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি, ছাত্র-ছাত্রী বা তাহাদের পরিবারের কোন সদস্যের নিকট কোন লিফলেট, হ্যান্ডবিল বা অনুরূপ কোন দলিল, আর্থিক প্রলোভন বা অন্য কোন উপহার বিতরণ করতে পারবে না; কোন সেমিনার, কনফারেন্স, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ, বৈজ্ঞানিক সভা, শিক্ষা সফর বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানসহ উচ্চ শিক্ষায় বা কোন গবেষণামূলক কর্মকান্ডের আয়োজন ও অংশগ্রহণের জন্য আর্থিক বা অন্য কোন সুবিধা প্রদান করতে পারবে না;

শিশুর জীবন রক্ষা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাসকরণের লক্ষ্যে একান্তভাবে অপরিহার্য বিবেচিত হলে (সকল উপায় অবলম্বন এবং চেষ্টা করার পরও মায়ের দুধ পাওয়া না গেলে), কেবলমাত্র নিবন্ধিত ও রেজিস্টারভুক্ত কোন মেডিকেল চিকিৎসক, উপযুক্ত প্রমাণাদির ভিত্তিতে, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প খাদ্যের কোন ব্যবস্থাপত্র প্রদানসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন। শিশুর বয়স ৬ মাসের পর থেকেই সে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরী বিভিন্ন বাড়তি খাবার খেতে পারে।

যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লংঘন করেন, তা হলে তিনি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ড বা অনূর্ধ্ব ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। কোন শিশু অসুস্থ হলে বা মৃত্যুবরণ করলে তা হবে আইনের অধীন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং তজ্জন্য উক্ত গুঁড়াদুধ, শিশুখাদ্য, বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুর বাড়তি খাদ্য বা উহা ব্যবহারের সরঞ্জামাদির প্রস্তুতকৃত কোম্পানী ১০ (দশ) বৎসর কারাদন্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০,০০০০০ (পঁঞ্চাশ লক্ষ) টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্থ শিশুর পরিবারকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রদান করা হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"