সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না সবজির

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাজারে সব ধরনের সবজির উপস্থিতি রয়েছে। মৌসুম না হলেও শীতকালীন সবজি বাজারে এসেছে অনেক আগেই। প্রতিদিন বাজারে প্রবেশ করছে হরেক রকমের সবজি, তবুও দাম কমছে না। সরবরাহ বাড়লেও নানা অজুহাতে সবজির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি। বিক্রেতারা বলছেন, এখন সবজির দাম কম হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে দাম কমছে না। পাইকারি বাজারে বাড়তি দাম হওয়ায় খুচরাতেও বাড়তি রয়েছে বেশ কিছুদিন ধরে।

রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, খিলগাঁও রেলগেট কাঁচাবাজার ও কারওয়ানবাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটো মানভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, গাজর ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও একই দামে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে অন্য সব সবজি। প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ থেকে ৬০, করলা, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০, বেগুন ৫০ থেকে ৮০, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০, শসা (হাইব্রিড) ৪০, শসা (দেশি) ৪৫ থেকে ৬০, কচুরছড়া ৫০ থেকে ৬০, কচুরলতি ৪০ থেকে ৭০, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে শিম কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমলেও ২০ টাকা বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। এসব বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি করতে দেখা গেছে ১২০ টাকা কেজি দরে। আর কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া আকারভেদে প্রতি পিস বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০, ফুলকপি ৩০ থেকে ৫০, লাউ ৪০ থেকে ৬০, জালিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। সবজির মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের শাক। প্রতি আঁটি (মোড়া) লালশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাক ১৫ থেকে ২০, পালংশাক ২০, কুমড়াশাক ২৫ থেকে ৩০, লাউশাক ৩০ থেকে ৪০ এবং পুঁইশাক ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির বাড়তি দাম নিয়ে বিক্রেতারা বন্যাকে দায়ী করছেন। তাদের অভিযোগ বন্যার কারণে অনেক এলাকায় সবজি খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে আগে থেকে সবজির সরবরাহ বেড়েছে।

এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম নামে কারওয়ানবাজারের এক খুচরা সবজি বিক্রেতা বলেন, দেশের মধ্যে অনেক এলাকায় বন্যা হওয়ায় বেশ কিছুদিন ধরে পণ্য কম আসছে।

এতে পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যায়। আর এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ে। জয়ন্ত নামে এক ক্রেতা বলেন, দাম বাড়াটা একটা রীতিতে পরিণত হয়েছে। বাজারে সব ধরনের মৌসুমি সবজিতে ভরপুর, তবুও দাম না কমার কারণ দেখি না।

 

"