ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ১৫ লাখ টাকা আদায়, মামলা

প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করে মামলা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে মামলাটি করেন নুরুল আবছার। মামলায় তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক বলে পরিচয় দিয়েছেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পতেঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রণয় প্রকাশ, উপপরিদর্শক আবদুল মোমিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তরুণ কান্তি শর্শা, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুজ্জামান ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিহির কান্তিকে। এ ছাড়া পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত ইলিয়াছ, জসিম ও নুরুল হুদা নামে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ৬ পুলিশের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালককে উপযুক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১ জুন বিকেলে নগরীর পতেঙ্গা কাটগড় এলাকা থেকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নুরুল আবছারকে তুলে ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়ার কাছে নিয়ে যান। সেখানে তার কাছ থেকে মোবাইল, গাড়ির চাবি ও টাকা-পয়সা কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর তাকে আটক রাখা হয়। পরদিন নুরুল আবছারকে ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে ৩০ লাখ টাকা দিতে চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি এত টাকা দিতে পারবেন না বলে জানালে তাকে ১৫ লাখ টাকা দিতে বলা হয়। তারপর উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামানের হাতে তিনি ১৫ লাখ টাকা দেন। কিন্তু অবশিষ্ট ১৫ লাখ টাকা না দেওয়ার তাকে বিদেশি মদ উদ্ধারের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়। ২৯ জুলাই তিনি জেল থেকে জামিনে বের হন বলে আরজিতে দাবি করা হয়েছে।

পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে মাদক কারবারির অভিযোগ আছে। বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং অভিযোগপত্রেও তার নাম রয়েছে।

 

"