মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নারায়ণগঞ্জের নগরবাসী

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ নগরে বেড়েছে মশার দৌরাত্ম্য। দীর্ঘদিন শুকনো মৌসুম থাকায় আর বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে আবার নগরীতে বেড়েছে মশার তীব্রতা। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নাগরিক জীবন। দিনে-রাতে পাল্লা দিয়ে চলছে মশার দৌরাত্ম্য। এতে নগরের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার আতঙ্ক। শুধু রাতের বেলায়ই নয়, নগরীজুড়ে এখন মশার আধিপত্য এতটাই বিস্তার লাভ করেছে, দিনের বেলাতেও মশার কবল থেকে বাঁচতে ঘরের ভেতরে মশক নিধনের ওষুধ ব্যবহার করতে হচ্ছে। হঠাৎ করেই মশার উপদ্রব বাড়লেও নজর নেই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের। নগরবাসীর অভিযোগ, সিটি করপোরেশন সময় সময় স্প্রে করলেও মশার উপদ্রব কমাতে স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

জানা গেছে, মশার কামড়ে বড়দের সঙ্গে সঙ্গে শিশুদেরও নানা ধরনের মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। নগরীর সর্বত্র এবং আশপাশের এলাকায় ড্রেন, ডোবা, জলাশয় থাকার কারণে মশার উপদ্রব খুবই বেশি থাকে। কিন্তু এই মশক নিধনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতি বছর বাজেট নির্ধারিত থাকলেও নগরীর বিভিন্ন ড্রেন ও জলাশয়ের ভেতর মশক নিধনের ওষুধ কার্যতপক্ষে নিয়মিত ব্যবহার করছে না দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা বলে অভিযোগ করেন নগরবাসী। কোনো কোনো ওয়ার্ডে সৌভাগ্যবশত নাসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীদের ফগার মেশিন দ্বারা মশক নিধনের স্প্রে ছিটাতে দেখা গেলেও তাৎক্ষণিক গোটা এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকার পরই পুনরায় মশার উপদ্রব বেড়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, মশক নিধনের নামে নাসিকের কর্মীরা শুধু এলাকাটি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করে যায়। কিন্তু তাতে মশা আর মরে না। ফলে, মশা মরার পরিবর্তে বংশ বিস্তার অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় এখন মশার উপদ্রবে নগরীতে চলাফেরা করাটাও দূরূহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরো কয়েকজন নগরবাসী অভিযোগ করেন, মশক নিধনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে এসে ওষুধ স্প্রে করানো হয়।

"