বিদ্যুৎ মেলার শেষ দিনে বিনামূল্যে সংযোগ

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের পাশাপাশি প্রি-পেইড সিস্টেম চালু হওয়ায় গ্রাহকদের আবেদনের হিড়িক পড়েছে। বিনামূল্যে আবেদনের পাশাপাশি ভোগান্তি ছাড়াই দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ পাবার আশায় গ্রাহকরা স্টলগুলোতে লাইনেও দাঁড়িয়েছেন। গতকাল শনিবার ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় তিন দিনব্যাপী (আইসিসিবি) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মেলার শেষ দিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়।

গতকাল শনিবার সকাল থেকেই, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) এবং ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডসহ (ওজোডাডিকো) বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানির স্টলগুলোতে নতুন সংযোগ, পুরনো সংযোগ পরিবর্তন করে নতুন সংযোগ স্থাপন এবং পোস্টপেইড সিস্টেমের পরিবর্তে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার চালুর জন্য দর্শনার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আবার বর্তমান মিটারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়?ী বাল্ব, ফ্যানসহ বিভিন্ন পণ্য ব্যবহারের পরও নিয়মিত বিল বাড়ছে বলেও অভিযোগ করছেন। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আইটি বিভাগের পরিচালক হেদায়াতুল ইসলাম বলেন, মেলায় শতাধিক গ্রাহকদের নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তার জন্য কোনো ফি নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, অভিযোগ বক্সে বেশ কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়েছে। আমরা মেলা শেষে অভিযোগগুলোর ব্যবস্থা নেব।

পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকার বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি ফ্ল্যাট কিনেছি। নতুন করে মিটার নিতে এখানে এসেছি। এমনিতে নতুন মিটার আসতে অফিসে গেলে অনেক সময় লাগে। বিভিন্ন টেবিল ঘুরতে হয়। টাকাও খরচ হয়। মেলায় শুধু কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে টোকেন দেওয়া হয়। এরপর পরিদর্শন শেষে মিটার দেওয়া হয় বলে শুনেছি। তাই এখানে এসেছি।

ডিপিডিসির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সাইফুল ইসলাম বলেন, মেলায় শতাধিক গ্রাহককে নতুন সংযোগের জন্য টোকেন দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শন শেষে তাদের সংযোগ দেওয়া হবে। এখানে যারা আবেদন করেছেন বিনা খরচে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের কাজটি করে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

ডেসকোর প্রকৌশলী এস এম শাহ সুলতান বলেন, এই স্টলে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশির ভাগই নতুন সংযোগ নিতে আবেদন করছেন। কেউ কেউ বা আবার জানতে চাচ্ছেন নতুন সংযোগ নিতে কি লাগবে? তিনি আরো বলেন, মেলার জন্য অন্তত ২৫০টি ডিমান্ট নোট দিয়েছে। যারা আবেদন করেছেন তাদের কাজগপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে এই নোটগুলো দেওয়া হয়েছে।

লাইট ও ফ্যান কমিয়ে অর্ধেক করার পর বিদ্যুৎ বিল গত মাসের চেয়ে বাড়িয়ে বিল ধরা হয়েছে বলে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেছেন পূর্বাচলের বাসিন্দা ইফতেখার হোসেন। তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে মেলায় এসেছি।

 

"