রাজধানীতে ২৫০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। অভিযানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, মূল্যতালিকা হালনাগাদ না করা এবং রাস্তা দখল করে ব্যবসা করার অপরাধে ২৫০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়। সেই সঙ্গে ৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করে সংস্থাটি। এদিকে গাবতলী হাট পরিদর্শন করেন প্যানেল মেয়র জামাল মোস্তফা ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম অজিয়র রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালান ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম অজিয়র রহমান বলেন, বাজার মনিটরিংয়ে অভিযান পুরো রমজান মাসজুড়েই চলবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে এ অভিযান। এদিকে গতকাল ডিএনসিসির প্যানেলভুক্ত মেয়র জামাল মোস্তফা ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম গাবতলী পশুর হাট আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। মাংসের মূল্য স্থিতিশীল রাখার উদ্দেশ্যে পশু হাটের ইজারাদার যেন অতিরিক্ত হাসিল আদায় করতে না পারেন তা মনিটরিং করার জন্য আকষ্মিকভাবে এই পরিদর্শন করা হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় সর্বমোট ৩১৫ জন তালিকাভুক্ত মাংস ব্যবসায়ী রয়েছেন। গাবতলী পশু হাটের ইজারাদার লুৎফর রহমানের পক্ষে তার পুত্র রাকিব ও গরু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে ইজারাদার ও গরু ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে মাংস ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমানে যে কোনো আকৃতির প্রতিটি মহিষ, গরু ও ভেড়া বা ছাগলের হাসিল যথাক্রমে ১৫০, ১০০ ও ৫০ টাকা। মাংস ব্যবসায়ী ব্যতীত অন্যদের ক্ষেত্রে হাসিলের পরিমাণ পশুর বিক্রয় মূল্যের শতকরা সাড়ে ৩ ভাগ। প্রসঙ্গত, ১৪ মে ২০১৮ তারিখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি কেজি গরুর মাংস (দেশি) ৪৫০ ও গরুর মাংস (বিদেশি) ৪২০ টাকা; মহিষের মাংস ৪২০ টাকা; খাসির মাংস ৭২০ টাকা ও ভেড়া/বকরি ৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়; যা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পরিদর্শনের পরে প্যানেল মেয়র সদস্য জামাল মোস্তফা জানান বৃহত্তর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় তিনি নিজে মাংসের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য সরাসরি তদারকি করবেন। এছাড়া ডিএনসিসির সব জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার মাধ্যমে ভোক্তারা যাতে নির্ধারিত মূল্যে মাংস কিনতে পারেন তা নিশ্চিত করা হবে।

"