রংপুর মহানগরী পুলিশ বিল পাস

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

রংপুর মহানগর এলাকার জন্য স্বতন্ত্র একটি পুলিশ বাহিনী গঠনের বিধান করে আইন পাস হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘রংপুর মহানগরী পুলিশ বিল-২০১৮’ পাসের প্রস্তাব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনীগুলো নিষ্পত্তি করা হয়। গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০১৩ সালে সিটি করপোরেশন হওয়া গাজীপুরের প্রায় ৩৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের বসবাস।

বিলে রংপুর মহানগরী এলাকায় ফৌজদারি বিচার কার্য পরিচালনায় মেট্রোপলিটন আদালত স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারিক দায়িত্বে থাকার বিধান রাখা হয়েছে। আর বিলে বাহিনী গঠন, বাহিনীর তত্ত্বাবধান, পুলিশ কমিশনার নিয়োগ, অধঃস্তন পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ, বদলি, সহায়ক কর্মকর্তা নিয়োগ, বাহিনীর প্রশাসন, অধঃস্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি, পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা ও কর্তব্য, জনগণ ও গ্রেফতার ব্যক্তিদের প্রতি পুলিশ কর্মকর্তার কর্তব্য, রাস্তায় পুলিশ কর্মকর্তার কর্তব্য, পুলিশ কর্মকর্তার আইনসংগত নির্দেশ মানা, নির্দেশ কার্যকর করায় পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতা, তথ্য সরবরাহের ক্ষমতা, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে রাস্তায় তল্লাশির ক্ষমতা, বেওয়ারিশ সম্পত্তির দায়িত্ব গ্রহণ ও বিলিবণ্টন, অসুস্থ ও অক্ষম জীবজন্তু নিধন, পরিমাপযন্ত্র ও দাঁড়িপাল্লা তল্লাশি, পরীক্ষা ও আটকসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়েছে।

বিলে পুলিশ কমিশনারের ক্ষমতা, জনসাধারণকে নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা, বিশৃঙ্খলা রোধ, জনস্বার্থে জনসমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধকরণ, গান-বাজনা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ, দাঙ্গা ইত্যাদি বন্ধ করা, চিত্তবিনোদনের স্থান ও জনসভায় গোলযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, কতিপয় অপরাধের জন্য দন্ড ভোগকারী ব্যক্তির অপসারণ, অপরাধ, দন্ড ও কার্যপদ্ধতি, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়েছে।

বালাইনাশক বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন : সংসদে বালাইনাশক (পেস্টিসাইডস) বিল-২০১৮ এর ওপর কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন রিপোর্টটি সংসদে উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়। এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, পুনঃউৎপাদন বিক্রয় বিতরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধানের প্রস্তাব করে বিলটি উত্থাপন করেন।

 

"