মুুক্তিযোদ্ধার ত্রাতা আমজাদ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রথমার্ধটা ছিল বড্ড ম্যাড়মেড়ে। গোলখরায় কাটল বিরতির আগ পর্যন্ত। দ্বিতীয়ার্ধেই পাল্টে গেল দৃশ্যপট। এল উদ্যাপনের উপলক্ষ। উল্লাসের মধ্যমণি আমজাদ আলি। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের জন্য এই গোলটিই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু ম্যাচের অন্তিম প্রহরে তাদের উচ্ছ্বাসটা আরো বেড়ে গেছে। তবে এই গোলের মালিক মুক্তিযোদ্ধার কোনো ফুটবলার নন, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের আত্মঘাতী গোলই মুক্তিযোদ্ধার জয়ের ব্যবধানটা নিয়ে গেছে ২-০ তে। শেষ পর্যন্ত তাই ম্যাচের নায়ক বনে গোলেন আমজাদই। দ্বিতীয়ার্ধে তার দুর্দান্ত মাথাস্পর্শী বলটা আশ্রয় নেয় মতিঝিলের ক্লাবটির জালে। গোলের শোধটা আর দিতে পারেনি আরামবাগ। তাই প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে জয়হীন থাকতে হলো তাদের। উল্টো সঙ্গী হয়েছে টানা তিন ম্যাচে তিনটি হার।

কাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় জয় পেল মাসুদ পারভেজের ছাত্ররা। জয়ের জন্য তারা কতটা মরিয়া সেটা বোঝা গেছে বিরতির পর থেকেই। প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকলেও উল্লেখযোগ্য আক্রমণ শাণাতে পারেনি তারা। একের পর এক আক্রমণের পসরা সাজান আরামবাগের বিপৎসীমায়। তবে সুযোগ পেয়ে দু-একবার মুক্তিযোদ্ধার বিপৎসীমায় ত্রাস ছড়িয়েছে মতিঝিলের ক্লাবটি। কিন্তু গোলের দেখা যেন কিছুতেই পাচ্ছিল না কোনো দল।

গোলবন্ধ্যাত্ব কেটে যেতে পারত ৩৩ মিনিটেই। এগিয়ে যেতে পারত আরামবাগ। কিন্তু ডি-বক্সেও ডান দিক ফ্রি-কিক থেকে নেওয়া মোহাম্মদ জুয়েলের শটটা আলোর মুখ দেখেনি। তার প্লেসিং শট ঠেকিয়ে দেন মুক্তিযোদ্ধার গোলরক্ষক উত্তম বড়–য়া। তবে গোল না হওয়ার কারণে ভাগ্যকেও দুষতে পারে আরামবাগ। উত্তম গ্লাভসের পরও যে ক্রসবার বলটাকে প্রতিহত করেছিল। পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে রকির ক্রসে গোলমুখেরর সামনে মাথা-ই ছোঁয়াতে পারেননি এলামলি বুকোলা। কিন্তু ম্যাচের বয়স এক ঘণ্টা পার হতেই তানভির রানার ক্রসটা হেডে গোলে পরিণত করেন আমজাদ। গোল ফেরাতে মরিয়া আরামবাগ ৮৯ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে বসেন আরামবাগের রক্ষণপ্রহরী আরাফাত হোসেন।

"