ডি ভিলিয়ার্সের ফেরার পথে বাধা করোনা

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে হুটহাট অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু অবসরে গিয়েই তার মনে হলো এখনো দক্ষিণ আফ্রিকাকে দেওয়ার আছে অনেক কিছু। তাই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই ফিরতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু করোনাভাইরাসের মহামারিতে সব বিশ্বকাপই অনিশ্চিত, বন্ধ আছে সব খেলাধুলাই। এতে ডি ভিলিয়ার্সের ফেরার সম্ভাবনাও ফিকে হতে চলেছে। পরশু দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দৈনিকে দেশের জার্সিতে প্রত্যাবর্তনের অনিশ্চয়তার কথা জানান আধুনিক ক্রিকেটের বিধ্বংসী এই ব্যাটসম্যান।

খেলা, অনুশীলন কিছু না থাকায় বাড়িতে বসে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন ডি ভিলিয়ার্স। অবস্থা যেদিকে এগোচ্ছে তাতে বাড়ছে বিষণœতা, ‘এ মুহূর্তে আমি ফিরতে প্রস্তুত। কিন্তু বিশ্বকাপ যদি পরের বছর চলে যায়, তাহলে বাস্তবতা পাল্টে যাবে। আমি জানি না তখন আমাদের শরীর কতটা সাড়া দেবে, কতটা ফিট থাকব।’

ক্যারিয়ার জুড়ে ফিটনেসের সঙ্গে কখনোই আপস করেননি ‘মিস্টার থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি’। নিজেকে নিংড়ে দিতে চেয়েছেন বরাবর। সেই মনোবল অটুটই আছে। কাজেই এ বছর বিশ্বকাপ না হলে শরীরের বিরুদ্ধে কিছু করতে চান না তিনি, ‘যদি শতভাগ ফিট থাকি, অবশ্যই মাঠে নামব। কিন্তু ৮০ ভাগ হলেও এগোবো না। কারণ আমি ওই ধরনের মানুষ নই।’

আপাতত বাড়িতে বসে ফিটনেস ধরে রাখার চেষ্টা করছেন আর আশায় আছেন ঠিক সময়েই হবে বিশ্বকাপ। তবে আলো ঝলমলে ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান দিয়েই ফিরতে চান না। নতুন করে পরীক্ষা দিয়েই পাস করতে মুখিয়ে তিনি, ‘আমাকে অবশ্যই ট্রায়াল দিতে হবে, বাউচারকে (প্রধান কোচ) সন্তুষ্ট করতে হবে নিজের ফিটনেস ও পারফরম্যান্স দিয়ে।’

চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় বসার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর। এখনো টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী আইসিসি। বিশ্বকাপ কোনো কারণে পিছিয়ে দেওয়া হলে তৈরি হবে জটিল সূচি জট। কারণ ২০২১ সালে ভারতে আছে আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ, এশিয়া কাপ ও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সূচি ঝুলে আছে।

 

"