বিপাকে খেলার চ্যানেলগুলো

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়াভিত্তিক চ্যানেলগুলো টিকে থাকে বিভিন্ন ইভেন্ট সরাসরি সম্প্রচার করে। কিন্তু এ বছর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে খেলার প্রায় সব ইভেন্ট বাতিল হয়ে গেছে। তবে এগুলো সম্প্রচারের জন্য আগে থেকেই টাকা দিয়ে রেখেছেন বেশির ভাগ চ্যানেল মালিক। কিন্তু ইভেন্টগুলো স্থগিত বা বাতিল হয়ে গেলেও একদিকে তারা যেমন টাকা ফেরত চাইতে পারছেন না, অন্যদিকে গ্রাহক হারানোরও শঙ্কায় রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে পুরো ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিই ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসির প্রতিবেদক অ্যালেক্স শারম্যানের এক বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে এমন শঙ্কার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছরই টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বিভিন্ন খেলা লাইভ সম্প্রচারের জন্য প্রচুর টাকা ঢেলে থাকে। এর ব্যতিক্রম হয়নি এ বছরও। কিন্তু এবার বেশির ভাগ ইভেন্টই পেছানো হচ্ছে। অনেকগুলো ইভেন্ট হয়তো আর হবেই না।

এমন সংকটের মুখে স্পোর্টস চ্যানেলের মালিকরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। কারণ একদিকে অনেক দিনের সম্পর্ক এবং চুক্তি হওয়ায় তারা টাকা ফেরত চাইতে পারছেন না, অন্যদিকে এগুলো পে-চ্যানেল (যে সব চ্যানেল টাকা দিয়ে সাবসস্ক্রাইব করতে হয়) হওয়ায় গ্রাহক হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন।

শারম্যান তার প্রতিবেদনে আরো লিখেছেন, এ বছর অলিম্পিক হওয়ার কথা ছিল এবং তা সম্প্রচারের জন্য অনেক চ্যানেলই টাকা দিয়ে রেখেছিল। কিন্তু অলিম্পিক পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে আগামী বছরের গ্রীষ্মে। অন্যদিকে আরো বেশকিছু ইভেন্টে নিয়ে এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় অনেক চ্যানেলই ভিন্ন পন্থায় গ্রাহক ধরে রাখতে চাইছে। যেমন- ইএসপিএন সরাসরি সম্প্রচার করতে না পারার ধকল কাটাতে জুনে সম্প্রচারের জন্য নির্ধারিত ‘মাইকেল জর্ডান ডকুমেন্টারি সিরিজ’ চালাচ্ছে এপ্রিল থেকেই। তবে এই ধরনের পদক্ষেপ সাময়িক স্বস্তি দিলেও তা আসলে দীর্ঘ সময়ের জন্য খুব একটা ভালো সমাধান নয় বলে মত দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

এ ব্যাপারে গবেষণা প্রতিষ্ঠান মোফেথ নাথান্সের বিশ্লেষক ক্যারিগ মোফেথ বলেন, ‘ক্যাবল নেটওয়ার্কের মূল আকর্ষণই হলো খেলার লাইভ সম্প্রচার। আর এটা না হলে চ্যানেলগুলোর জনপ্রিয়তা কমবেই।’

 

"