হাজারতম ম্যাচেও দুর্বার রোনালদো

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি তিনি। এবার ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসের কিংবদন্তি হওয়ার পথে ধীরে ধীরে হাত পাকাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। প্রথম মৌসুমে তুরিনের ক্লাবটির হয়ে সিরি ‘আ’ খেতাব জিতে নিয়েছেন। সব রকম প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৩ ম্যাচে করেছিলেন ২৮টি গোল। আর চলতি বছর জুভদের হয়ে গোল স্কোরিং রেকর্ড উন্নত করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত কিছু নজির গড়ার পথে পর্তুগিজ যুবরাজ।

পরশু এসপিএএল-এর বিরুদ্ধে জুভেন্টাসের জার্সি গায়ে ক্যারিয়ারের ১০০০তম ম্যাচ (ক্লাব এবং দেশ) খেলতে নেমেছিলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। সহস্রতম ম্যাচ রোনালদো গোল করে স্মরণীয় রাখবেন না, তা আবার হয় নাকি! গোল করলেন এবং সেইসঙ্গে জুভেন্টাসের জার্সি গায়ে সাবেক আর্জেন্টাইন তারকা গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা ও ইতালি তারকা ফ্যাবিও কুয়াগলিয়ারেল্লার বিরল নজির স্পর্শ করলেন। হাজারতম ম্যাচে ক্যারিয়ারের ৭২৫ নম্বর গোলটি করেছেন ৩৫ বছর বয়সি রোনালদো। পর্তুগালের হয়ে ১৬৪ ম্যাচে তার গোল ৯৯টি। আর ক্লাবে ৮৩৬ ম্যাচ খেলে ৬২৬ বার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়েছেন তিনি।

গতকাল রাতে আরেকটি ক্ষেত্রে নিজেকে এলিট ক্লাবে উন্নীত করলেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। লিগে টানা ১১ ম্যাচে স্কোরশিটে নাম লেখানোর কীর্তি গড়লেন পর্তুগিজ ফুটবলের পোস্টার বয়। চলতি লিগ মৌসুমে এ নিয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হয়ে ৩০ ম্যাচে ২৫ গোল হয়ে গেল রোনালদোর।

স্তাদিও পাওলো মাৎজায় ম্যাচের ৩৯ মিনিটে কার্লোস কুয়াদ্রাদোর অ্যাসিস্টে স্কোরশিটে নাম লেখান রোনালদো। ৬০ মিনিটে জুভেন্টাসের হয়ে ব্যবধান বাড়ান অ্যারোন রামসে। ৬৯ মিনিটে স্বাগতিকরা একটি গোল শোধ করলেও রোনালদোর মাইলস্টোন ম্যাচে সমতায় ফিরতে পারেনি। তাই গোলে, ঔজ্জ্বল্যে ম্যাচ জিতিয়ে সহস্রতম ম্যাচ চিরস্মরণীয়ই করে রাখেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে রোনালদো পেশাদার ফুটবলে যাত্রা শুরু করেছিলেন নিজ দেশের ক্লাব স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে। এরপর গত ১৮ বছর ধরে মাঠ মাতিয়ে আসছেন, দর্শকদের দিয়ে যাচ্ছেন বিনোদন, একের পর এক গড়ছেন রেকর্ড। জুভেন্টাসের জার্সিতে হাজারতম ম্যাচ খেলার আগে ক্লাব পর্যায়ে তিনি আলো ছড়িয়েছেন ম্যানইউ ও রিয়ালের হয়েও। আর পর্তুগাল জাতীয় দলের জার্সি তো সেই ২০০৩ সাল থেকে এখনো তার গায়ে শোভা পাচ্ছে।

 

ফল

এসপিএএল ১-২ জুভেন্টাস

 

"