এবার গোলাপি টেস্টের প্রস্তাব পাকিস্তানের

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে এখনো সবুজ সংকেত দেয়নি সরকার। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এগোচ্ছে নিশ্চিত ধরে নিয়েই। ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) অনুযায়ী, আসছে জানুয়ারিতেই পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার কথা তামিম ইকবাল-মুশফিকুর রহিমদের। এর আগে চলতি মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। এরপর ‘সন্ত্রাসকবলিত রাষ্ট্রে’ পা পড়তে পারে টাইগারদের। সফরটি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত না হলেও বাংলাদেশকে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলার প্রস্তাব দিয়ে রাখল পিসিবি।

সূচি অনুযায়ী, বাবর আজম-আজহার আলিদের বিপক্ষে ২টি টেস্ট ও ৩টি টি-টোয়েন্টির সিরিজ খেলার কথা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-মুস্তাফিজুর রহমানদের। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চাওয়া, অন্তত একটি টেস্ট হোক কৃত্রিম আলোয় গোলাপি বলে, যেটির সম্ভাব্য ভেন্যু করাচি।

নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ এখনো সফর নিয়ে পাকা কথা জানায়নি। সরকারের একটি নিরাপত্তা পরিদর্শক দল কিছুদিন আগে অবশ্য পাকিস্তান সফর করে এসেছে। সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তাদের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে জাতীয় নারী দল ও অনূর্ধ্ব-১৬ পুরুষ দল পাকিস্তান সফর করে এসেছে। কিন্তু পুরুষ জাতীয় দলের বাস্তবতা অনেকটাই ভিন্ন বলে সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে এখনো। গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হর্তা-কর্তারা অনেকবারই বলেছেন, নিরাপত্তা পরিদর্শক দলের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

গত ২২ নভেম্বরেই নিজেদের ইতিহাসে প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। স্বল্প প্রস্তুতিতে সে টেস্টে বলার মতো কিছুই করতে পারেনি। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ভারতের বিপক্ষে মাত্র সোয়া দুই দিনে গোলাপি বিষে নীল হয়েছেন মমিনুল হক-ইমরুল কায়েসরা। এরপরও মাঠে দর্শকের উপস্থিতি সবাইকে মুগ্ধ করেছে। তাই তো ১৬ বছর পর বাংলাদেশকে পূর্ণাঙ্গ সিরিজে আতিথ্য দেওয়ার সুযোগটা কাজে লাগাতে চাইছে পাকিস্তান। পিসিবির ধারণা, সফলভাবে শ্রীলঙ্কা সিরিজ আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারকে নিরাপত্তার ব্যাপারে সন্তুষ্ট করতে পারবে তারা। এরপর টাইগারদের রাজি করিয়ে উপমহাদেশে দ্বিতীয় দিবা-রাত্রির টেস্ট আয়োজন করবে পাকিস্তান।

২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই পাকিস্তানে আর টেস্ট ম্যাচ হয়নি। তবে সেই লঙ্কানদের সফর দিয়েই এক দশক পর এ মাসে টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে পাকিস্তানে। লঙ্কানরা তাদের পূর্ণ শক্তির দলই পাঠাচ্ছে। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস-কুশল পেরেরাদের আসন্ন সফর কিছুটা হলেও চাপ বাড়িয়েছে বাংলাদেশের ওপর।

 

"