এনসিএলে বৃষ্টির দিন

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২১তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) উদ্বোধনী দিনেই বৃষ্টির বাগড়া। চার ম্যাচের দুটিতে টসই হয়নি, বাকি দুই ম্যাচ মিলিয়ে ১৮০ ওভারের জায়গায় খেলা হয়েছে ১০৩ ওভারের মতো। বিরূপ আবহাওয়ায় ড্রেসিংরুমে অলস সময় পার করেই কেটেছে অধিকাংশ খেলোয়াড়ের দিন। গতকাল চার ম্যাচের দুটি গড়িয়েছে ঢাকা বিভাগে। রাজশাহী ও খুলনায় টসই হতে দেয়নি বেরসিক বৃষ্টি।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। তারা ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়েছে। দুই দফা বৃষ্টি-বাধায় খেলা হয় ৫১ ওভার।

স্বেচ্ছা-বিরতি কাটিয়ে জাতীয় লিগ দিয়ে মাঠে ফেরা তামিম ইকবালের শুরুটা ভালো হয়নি। চট্টগ্রামের ওপেনার ১০৫ বলে ৩০ রান করে আউট হন জাতীয় দলের সতীর্থ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে। বাইশ গজে ১৩২ মিনিট কাটালেও স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না শুরু থেকেই। ঢাকা মেট্রোর বোলাররা বোতলবন্দি করে রাখেন ‘অতি সাবধানী’ তামিমকে।

চট্টগ্রামের আরেক ওপেনার সাদিকুর রহমান অবশ্য ব্যাট করেছেন সাবলীলভাবেই। আউট হন ফিফটি ছুঁয়ে। ম্যাচের প্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজ বিরতির আগে মাহমুদউল্লাহর প্রথম শিকার এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। ৮০ রানের ওপেনিং জুটিতে সাদিকুরের অবদান ৫১।

বিরতির পর মাহমুদউল্লাহর বলে ফিরতি ক্যাচ তুলে দেন তামিম। বিশ্বকাপে ছন্দহীন থাকার পর শ্রীলঙ্কা সফরেও কাটেনি তার ব্যাটিং অমানিশা। পরে চলে যান বিশ্রামে। খেলেননি আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট আর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে হওয়া ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজে। ভারত সফরের আগে ছন্দে ফেরার মিশন নিয়ে কালই ব্যাট হাতে প্রথম খেলতে নেমেছেন।

টেস্ট বিশেষজ্ঞ মুমিনুল হকও সুবিধা করতে পারেননি প্রথম ইনিংসে। ‘এ’ দলের অধিনায়ক হয়ে শ্রীলঙ্কা সফর করে আসা বাঁ-হাতি তারকা আউট হন ১১ রান করে। বোলার সেই মাহমুদউল্লাহ। ১১৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। ঘণ্টা খানেক পর থামে বৃষ্টি। দলীয় রান ১৪৭-এ যাওয়ার পর আবারও বৃষ্টি শুরু হলে খেলা আর মাঠে গড়ায়নি। আজ পিনাক ঘোষ (৩০*) ও তাসামুল হক (১৭*) দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ঢাকা বিভাগ ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী বিভাগের ম্যাচে সারা দিনে খেলা হয়েছে ৫১.৫ ওভার। টস হেরে ব্যাটিং করতে নামা ঢাকা পড়েছে বিপর্যয়ে। ১৪৩ রান তুলতে ৭ উইকেট হারিয়েছে তারা। রনি তালুকদার করেছেন সর্বোচ্চ ৬৩ রান। রাজশাহীর তাইজুল ইসলাম চারটি ও শফিউল ইসলাম নেন তিনটি উইকেট।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে স্বাগতিক খুলনা ও অতিথি রংপুর এবং রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে বরিশাল-সিলেটের ম্যাচে আকাশের আর্তনাদে টসই হয়নি।

 

"