রোনালদোর পেনাল্টিতে পার জুভেন্টাস

ডার্বি জিতে শীর্ষেই ইন্টার

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

জুভেন্টাসের জার্সি গায়ে প্রথমবার একাদশে থেকে শুরু করলেন অ্যারোন র?ামসে। এমন ম্যাচে গোলও পেলেন ওয়েলস তারকা। তবে আসল কাজটা করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোই। পেনাল্টি থেকে স্কোরশিটে নাম তুলে জুভ প্রাণভোমরা। তাতে পিছিয়ে পড়েও হেরাস ভেরোনার বিরুদ্ধে পূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিল তুরিনের বুড়িরা। যদিও শনিবার রাতের এই জয়েও লিডারবোর্ডের চূড়া ছোঁয়া হয়নি মাওরিজিও সারির শিষ্যদের। একই রাতে এসি মিলানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ডার্বি জয়ের সঙ্গে শীর্ষস্থানটা যে আরো সুসংহত করে ফেলেছে ইন্টার মিলান।

ঘরের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ স্টেডিয়ামে জুভেন্টাস রক্ষণের ভুলে ম্যাচের ২০ মিনিটে পেনাল্টি পায় ভেরোনা। তবে স্পটকিক থেকে বল নিশানায় রাখতে ব্যর্থ হন ডি কারমাইন। পোস্টে প্রতিহত হওয়া বলে ফিরতি শট নেন ডার্কো ল্যাজোভিচ। কিন্তু সেই শটও ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়।

যদিও সেই আক্রমণের রেশ ধরেই ১৩ সেকেন্ড বাদে মিগুয়েল ভেলোসোর বাঁ পায়ের দূরপাল্লার ভলি জড়িয়ে যায় জালে।

তবে সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি তুরিনের বুড়িরা। ৩১ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া র?ামসের দূরপাল্লার শট ভেরোনার এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে খুঁজে নেয় জাল।

বিরতির পরপরই বক্সের মধ্যে হুয়ান কুয়াদ্রাদোকে অহেতুক ফাউল করে বসেন ভেরোনার এক ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ম্যাচের অন্তিম মিনিটে ল্যাজোভিচের একটি দুরন্ত আক্রমণ প্রতিহত হয় বুফনের দস্তানায়। অতিরিক্ত সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ভেরোনা ডিফেন্ডার মারাশ কুম্বুল্লা। জুভেন্টাসের ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত হয়ে যায় সেখানেই।

এদিকে, সান সিরোতে এসি মিলানকে হারিয়ে মিলান ডার্বিতে বাজিমাত করেছে ইন্টার। মার্সেলো ব্রোজোভিচ ও রোমেলু লুকাকুর গোলে ‘ডার্বি ডিলাইট’ করেছে তারা। এ জয়ের ফলে চার ম্যাচের প্রত্যেকটিতে জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করেছে আন্তোনিও কন্তের দল।

যদিও সারা ম্যাচে আধিপত্য নিয়ে ফুটবল খেলেও গোল পেতে দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে ইন্টারকে। ৪৯ মিনিটে সেনসির ফ্রি-কিক থেকে ব্রোজোভিচের নেওয়া শট পেনাল্টি বক্সের মধ্যে বিপক্ষ এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে প্রবেশ করে জালে। ৭৮ মিনিটে নিকোলাস বারেলার ক্রস থেকে দারুণ হেডে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন বেলজিয়ান তারকা লুকাকু।

ইন্টারের ‘ডার্বি ডিলাইট’ নিশ্চিত হয় সেখানেই। তাই তো রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে আনন্দের আতিশয্যে ভাসে ইন্টারের ফুটবলাররা।

 

"