‘এই হার কষ্টদায়ক লজ্জাজনক না’

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

যেটা হওয়ার ছিল সেটাই হলো। এলিট ক্রিকেটে আনকোরা আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২২৪ রানের বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে টাইগারদের। চট্টগ্রামে ব্যাটিং, বোলিং, প্ল্যানিংÑ সব জায়গাতেই হেরেছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ বাঁচাতে ডাকতে হয়েছে বৃষ্টিকেও। কিন্তু কোনো কিছুতেই শেষ রক্ষা হয়নি। রশিদ, জহিরদের স্পিন পড়তেই পারলেন না মুশফিক, সাকিব, মাহমুদুল্লাহদের মতো অভিজ্ঞরা। সৌম্য, লিটন, মুমিনুলদের ব্যাটিংও ছিল দৃষ্টিকটূ। তবে এত বড় হারকেও লজ্জার বলতে নারাজ টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

শেষ সেশনে মাত্র ১৮.৩ ওভার টিকতে পরলেই ড্র হয়ে যেত চট্টগ্রাম টেস্ট। হাতে ছিল ৪টি উইকেট। সৌম্য সরকার এবং সাকিব ছিলেন এর মধ্যে। সেখান থেকে দল অলআউট হয়ে গেল ৩.২ ওভার বাকি থাকতেই। এমন হার কতটা লজ্জার? এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, একটুও লজ্জাজনক বলে আমার কাছে মনে হয়নি। হ্যাঁ, কষ্টদায়ক অবশ্যই; লজ্জাজনক না।‘

নিজেদের ব্যর্থতার স্বীকার করার পাশাপাশি আফগানিস্তানকেও কৃতিত্ব দিচ্ছেন সাকিব। তিনি বলেন, খারাপ খেলেছি, ম্যাচ হেরেছি। ওভারঅল আমরা খুবই বাজে খেলেছে এবং একই সঙ্গে আফগানিস্তানও খুব ভালো খেলেছে।

আফগানদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের বাজে স্মৃতি তাজা থাকতে থাকতেই ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নামতে হবে সাকিবদের যেখানে দলকে নেতৃত্ব দিবেন তিনিই। দলের মনোবল ফিরে পেতে প্রথম ম্যাচটি জেতা গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেন তিনি।

‘এখানে যারা আছেন তারাই হয়তো টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। সবার মেন্টালিটি চেঞ্জ করে আবার টি-টোয়েন্টি ফরমেশনে আনতে হবে। একই সঙ্গে পারফর্মও করতে হবে। আমাদের জন্য কঠিন কিন্তু টুর্নামেন্টে ভালো একটা শুরু করতে পারলে সেটা আমাদের জন্য পজিটিভ।’ এই হার নিয়ে পড়ে থাকতে চান না সাকিব। জিম্বাবুয়ে ও আফগানদের নিয়ে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে নজর দিতে চান এই অলরাউন্ডার, ‘যত দ্রুত সম্ভব এই ম্যাচ ভুলতে হবে এবং নজর দিতে হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এই ফরম্যাটে (টি-টোয়েন্টি) আফগানিস্তান খুবই ভালো দল। সামনের বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, তাই টি-টোয়েন্টিতে নজর দেওয়াটা জরুরি।’

এদিকে হার দিয়েই মিশন শুরু হলো নতুন কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর। এটা নিয়ে একটু রসিকতাও করলেন সাকিব।

নতুন কোচ যেই আসে তার কপালটাই..., শুরুই মনে হয় এমন হয়। স্টিভ রোডস যখন আসে তখন আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৪৩ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিলাম। একটা জিনিস ভালো যে, ওরা সবচেয়ে খারাপটা দেখেই ফেলে প্রথমে। এর চেয়ে খারাপ তো হওয়ার চান্স থাকে না। তারপর ওরা এটার উন্নতি দেখবে।

 

 

"