বিধ্বংসী বাংলাদেশে নাস্তানাবুদ শ্রীলঙ্কা

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক তারুশা রাসমিকাকে বেশ অসহায় দেখাচ্ছিল। একের পর এক গোল করে যাচ্ছে বাংলাদেশের কিশোররা। আর পোস্টের মধ্য থেকে বল কুড়িয়ে আনছে তারুশা। গোলরক্ষক হিসেবে ৭ বার বল কুড়িয়ে আনার কষ্টটা তো আর বলে বোঝানোর নয়! ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার কল্যাণীতে কাল লঙ্কান কিশোরদের নিয়ে যেন ছেলেখেলাই করেছে বাংলাদেশের ছেলেরা। শ্রীলঙ্কাকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট হলো বাংলাদেশের। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ছিল ৫-২ গোলে। এই ম্যাচ নিয়ে কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণের খুব বেশি প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। শ্রীলঙ্কাকে নাস্তানাবুদ করেই ছেড়েছে রাকিবুল, আল-আমিনরা। বল দখল, ব্যক্তিগত স্কিল, গতিÑ কোনো দিক দিয়েই বাংলাদেশের কিশোরদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি লঙ্কানরা।

গতকাল রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩ গোলের ঝড়। কিশোররা তাতেও বোধ হয় সন্তুষ্ট হতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে তাই আরো বিধ্বংসী হয়ে উঠেছে। যদিও এর মধ্যে লঙ্কানরা একটি গোল শোধ দিয়েছে। কিন্তু সব মিলিয়ে স্কোরলাইনটা দাঁড়িয়েছে ৭-১। এরপরও ম্যাচটা অবশ্য আক্ষেপ দিয়েই শেষ হয়েছে। ইশ, যদি প্রাপ্ত সুযোগের সব কটি কাজে লাগানো যেত! কাল খেলার ৩২ মিনিটে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয় আল-আমিন। আল-আমিনের পা থেকে এসেছে আরো ৩ গোল। ৪৪, ৬০, ৭১ মিনিটে আসে গোলগুলো। বাকি তিনটি গোল রাকিবুল (৪২ মিনিট), আল মিরাদ (৪৮ মিনিট) এবং গোলাম রাব্বির (৬৭ মিনিট)।

টানা দুই জয়ে ফাইনালের আরো কাছে পৌঁছে গেল বাংলাদেশের কিশোররা। রবার্ট মার্টিন রায়েলসের শিষ্যরা খেলবে আরো দুই ম্যাচ। আগামীকাল নেপালের বিপক্ষে জিতলেও শিরোপা নির্ধারণীর টিকিট পেয়ে যাবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। তবে হারলে বা ড্র করলেও সুযোগ থাকছে। ২৯ আগস্ট স্বাগতিক ভারতের মোকাবিলা করবে আল-আমিন-রাকিবুলরা। গেলবার ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়েই ফাইনালের টিকিট কেটেছিল দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ তারকারা।

 

"