‘এমন সুযোগ বারবার আসবে না’

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

বোলারদের আগুন ঝরানো পারফরম্যান্সের পর ব্যাট হাতে চরম ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন ইংল্যান্ডের টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ফিল্ডিংয়েও অদম্য ছিল ইংলিশরা। সব মিলিয়ে তিন বিভাগেই ছিল সম্মিলিত অবদানের ছোঁয়া। তাতে নতজানু হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। আর দীর্ঘ ২৭ বছর পর শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে পা রেখেছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে নজরকাড়া জয়ের কৃতিত্বটা তাই সবাইকেই ভাগ করে দিলেন অধিনায়ক ইয়ন মরগান। গর্ব করার মতো এই অর্জন নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সবার আগে ২০১৫ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার কথা টেনে আনেন মরগান। মাত্র চার বছরের ব্যবধানে সেই বিধ্বস্ত দলটাই নজরকাড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। মরগান তাই স্মরণ করছেন সতীর্থ সবাইকেই, ‘২০১৫ সালে আমরা যেখানে ছিলাম, সেদিকে তাকালে এটি নাটকীয় উন্নতিই। ড্রেসিং রুমের সবাই এর কৃতিত্ব নিতে পারে। আমরা অধিকাংশ সুযোগই কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম এবং তাতে সফল হয়েছি।’

সবশেষ ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিল ইংল্যান্ড। সেবার পাকিস্তানের কাছে হেরে শিরোপা স্বপ্ন চূর্ণ হয় ইংলিশদের। এবার নিয়ে মোট চারবার ফাইনালে উঠল ইংলিশরা। আগের তিনবারও শিরোপা অধরাই থেকে গেছে। তবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে মরিয়া মরগানরা। সবশেষ যেবার বিশ্বকাপের ফাইনালে গেল ইংল্যান্ড, সেই স্মৃতি মনে পড়ে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইংলিশ অধিনায়ক হাসিমাখা মুখে বলেন, ‘আমার বয়স ছিল তখন মাত্র ছয় বছর। আমার বেশি কিছু মনে নেই। সে সময় টিভিতে হাইলাইটস দেখেছি। পরেও ম্যাচটা অনেকবার দেখেছি।’

আগামীকাল ক্রিকেটের তীর্থভূমি লন্ডনের লর্ডসে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচকে ইতিহাস রচনার ম্যাচ হিসেবে পাখির চোখ করছেন মরগান, ‘এটি দারুণ এক সুযোগ, বিশাল বড় সুযোগ। এমন সুযোগ বারবার আসবে না।’

 

"