মেসির লাল কার্ডেও জয় আটকায়নি আর্জেন্টিনার

প্রকাশ | ০৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

গ্যারি মেডেলের সঙ্গে প্রথমার্ধের ঝামেলা হয়, যেখানে লিওনেল মেসির ভূমিকা ছিল সামান্যই। আগ্রাসী হয়ে সংঘর্ষে জড়ায় চিলির ডিফেন্ডার। তা সত্ত্বেও লাল কার্ড দেখতে হয় আর্জেন্টাইন তারকাকে। যদিও রেফারি মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন চিলির ফুটবলারকেও। তবু বিশেষজ্ঞদের দাবি লাল কার্ড দেখার মতো অপরাধ করেননি এলএম টেন। বরং গ্যারিকে মাঠ থেকে বার করে দেওয়া যেত সঙ্গে সঙ্গে।

সেমিফাইনালে রেফারির পক্ষপাতিত্বের যে অভিযোগ তিনি করেছিলেন, সেই প্রসঙ্গ পুনরায় টেনে এনে লাল কার্ড বিস্ফোরক মেসির নিজের মতো, ‘ঘোর দুর্নীতি চলছে। এমন উত্তেজক ম্যাচে ছোটখাটো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই থাকে। দুজনকে হলুদ কার্ড দেখালেই যথেষ্ট ছিল। তবে আগেই বলেছি, টুর্নামেন্টে যে মানের রেফারিং চলছে, তার সবকিছু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাদের এমন দুর্নীতির শরিক হওয়া কখনই উচিত নয়।’

ম্যাচের ৩৭ মিনিটের মাথায় মেসিকে মাঠ ছাড়তে হলেও কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে জয় তুলে নিতে অসুবিধা হয়নি আর্জেন্টিনার। সার্জিও আগুয়েরো ও পাউলো দিবালার প্রথমার্ধের গোলের সুবাদেই গত দুবারের চ্যাম্পিয়ন চিলিকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে কোপার ব্রোঞ্জ মেডেল জেতে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে চিলির হয়ে ব্যবধান কমান ভিদাল।

ম্যাচের ১২ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন অ্যাগুয়েরো। ২২ মিনিটে জিওভানির পাস থেকে আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন পাওলি দিবালা। ৩৭ মিনিটে মেসির বিতর্কিত লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়া। ৫৯ মিনিটে ভিদালের স্পট কিকে ব্যবধান কমায় চিলি।

ম্যাচের শেষে ক্ষুব্ধ মেসি পদক নিতে অস্বীকার করেন। তিনি দলের ফটো সেশনেও উপস্থিত ছিলেন না।

রেফারির প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মেসির দাবি, ‘ভিএআরের ব্যবহার করা হলে ছবিটা অন্য রকম হতে পারত। আসলে টুর্নামেন্টে সবকিছুই স্বাগতিক ব্রাজিলকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য চলছে। আমি এই দুর্নীতির অংশ হতে চাই না। আমাদের উচিতও নয়। যেভাবে টুর্নামেন্টে আমাকে অসম্মান করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।’

 

 

"