‘হেড টু হেড নির্ণায়ক হলে সেমি খেলতাম’

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয় পাকিস্তানের। তবু শেষ চারে যোগ্যতা অর্জনের প্রশ্নে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করতে না পারায় বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল পাকিস্তান। নেট রান রেটের নিরিখে পাকিস্তানকে ছাপিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নিল নিউজিল্যান্ড। স্বাভাবিকভাবেই ৯৪ রানে ম্যাচ জিতে হতাশ পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থার জানালেন, নেট রান রেটের তুলনায় হেড টু হেড নির্ণায়ক হলে তা দলের পক্ষে সমীচীন হতো।

পরশু টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়ে পাকিস্তানের প্রোটিয়া কোচ মিকি আর্থার জানান, ‘আইসিসি নেট রান রেটের বদলে হেড টু হেড রেকর্ডকে নির্ণায়ক করলে আজ আমরা সেমিফাইনালে পৌঁছে যেতাম। আমার মনে হয় এদিকে একটু নজর দেওয়া উচিত ছিল।’ আর্থারের মতে ম্যাচ জয়ের সংখ্যা তারপর হেড টু হেডকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল এবং সর্বশেষে তিনটি দলের পয়েন্ট সংখ্যা সমান হলে সেক্ষেত্রে নেট রান রেট বিচার্য বিষয় হিসেবে গণ্য হতো।’

একইসঙ্গে পাকিস্তান কোচের মতে বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শোচনীয় হারই তাদের রান রেট অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে। ওই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এক কথায় অসম্ভব।

তাই পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের মতো হেভিওয়েট দলকে হারিয়ে মোমেন্টাম ফিরে পেলেও নেট রান রেট আয়ত্তে আনা সম্ভব হয়নি। যা খুবই হতাশার।’

পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর প্রবল সমালোচিত সরফরাজকে এদিন প্রশংসায় ভরিয়ে দেন পাকিস্তান কোচ। তিনি জানান, ‘ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর যেভাবে ও নিজেকে শান্ত রেখে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে তা এক কথায় অনবদ্য। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ হারের পর বাকি টুর্নামেন্টে সরফরাজ অনেক বেশি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিল। অধিনায়ক হিসেবে ড্রেসিংরুমে বাকিদের উদ্বুদ্ধ করত সে।’ উল্লেখ্য ভারতের বিরুদ্ধে হারের পর টানা চার ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে হারালেও নেট রান রেটে পিছিয়ে পড়তে হলো পাকিস্তানকে।

 

"