কোপা আমেরিকা ২০১৯

ব্রাজিলের শুভসূচনা

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

বলিভিয়াকে ৩-০ হারিয়ে কোপা আমেরিকা শুরু করল ব্রাজিল। কাল সকালে সাও পাওলোয় মেরুম্বি স্টেডিয়ামে নেইমারকে ছাড়াই প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফিলিপ কুটিনহোর জোড়া গোলে এবং পরে এভারটনের দুরন্ত গোলে যেন হঠাৎ করে ঘুমন্ত অবস্থা থেকে জেগে উঠে ব্রাজিল। প্রথমার্ধে দুই দলই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্থের ৫ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলীয় তারকা কুতিনহো।

এর মিনিট তিনেক পরেই দ্বিতীয় গোল ব্রাজিলের বার্সেলোনা তারকার। হেডে দ্বিতীয় গোল করে ব্রাজিলকে ২-০ এগিয়ে দেন কুতিনহো। এরপর ব্রাজিলের তৃতীয় গোলটি আসে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে। ৫ মিনিট বাকি থাকতেই গোল করে ম্যাচের স্কোর ৩-০ করেন এভারটন।

৬০ বছরের বেশি সময় পর সাদা জার্সি পরে টুর্নামেন্ট শুরু করে ব্রাজিল। নেইমার না থাকায় রবার্তো ফিরমিনোকে সামনে রেখে এবং মিডফিল্ডে আর্থারের জায়গায় ফার্নানডিনহোকে দিয়ে শুরু করে ব্রাজিল। মেরুম্বি স্টেডিয়ামে সাম্বার কোপার উদ্বোধনী ম্যাচ দেখতে উপস্থিতি ছিলেন ৪৬ হাজারের বেশি দর্শক। শেষবার ১৯৬৩ সালে কোপা জয়ী দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতে ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল।

ম্যাচের নায়ক ব্রাজিলীয় তারকা কুতিনহো বলেন, ‘ম্যাচটা কঠিন ছিল। প্রথম ম্যাচ বলে আমরা কিছুটা নার্ভাস ছিলাম। প্রথম গোল পাওয়ার পর আমাদের খেলাটা খেলতে শুরু করি। টেকনিক্যালি ও ট্যাকটিক্যালি দিকেই আমাদের ফোকাস ছিল। প্রথমার্থ গোলশূন্য প্রসঙ্গে ব্রাজিলের বার্সা তারকার বক্তব্য, ‘অনেক ম্যাচেই এমনটা হয়ে থাকে। এটা খেলারই অংশ। ফ্যানেরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। আসল উদ্দেশ্যেই আমাদের এগোতে হবে। ’২০০৭-এর পর কোপা জেতেনি ব্রাজিল। স্বাভাবিকভাবেই ফ্যানদের প্রত্যাশা অনেক। এবারের ঘরে মাঠে কুতিনহোদের চ্যাম্পিয়ন দেখতে চান সাম্বা সমর্থকরা। রিচারলিসন বলেন, ‘ফ্যানদের এই প্রত্যাশা খুবই স্বাভাবকি। ওরা গোল দেখতে চাই। প্রথমার্ধে আমরা সত্যিই নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে পাসিং ফুটবল খেলি এবং গোলও পাই। আমাদের লক্ষ্য পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য পরের ম্যাচ জেতা।’

ব্রাজিলের পরের ম্যাচ ভেনিজুয়েলা। মঙ্গলবার সালভাডরে ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে তারা নামবে বলে জানান ব্রাজিলীয় আধিনায়ক দানি আলভেস। পিএসজির ব্রাজিলীয় ডিফেন্ডার বলেন, ‘সালভাডরে খেলার মজাই আলাদা। ওরা অনেক দিন জাতীয় দলের খেলা দেখার সুযোগ পায়নি।’ ১৯৮৯-এর পর ব্রাজিলে বসেছে কোপার আসর।

 

"