বার্সেলোনার সামনে লিওঁ

বায়ার্ন না লিভারপুল?

প্রকাশ | ১৩ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

অ্যানফিল্ড স্টেডিয়ামে প্রথম লেগটা ফল উপহার দিতে পারেনি। গোলশূন্য ড্র করেছিল লিভারপুল ও বায়ার্ন মিউনিখ। আজ অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় ফিরতে লেগে ম্যাচ। জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনাল। লিভারপুলের জন্য একটা সুবিধা হচ্ছে গোলশূন্য ছাড়া যে কোনো ড্র করলেও চলবে তাদের। অ্যাওয়ে গোল তাদের হাতে এনে দেবে শেষ আটের টিকিট। বাভারিয়ানরা অবশ্য আশাবাদী- দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটা তারা খেলবে ঘরের মাঠেই।

আজ রাতের অন্য ম্যাচটিও আছে সমান সমান অবস্থায়। যেখানে মুখোমুখি হবে বার্সোলোনা ও অলিম্পিক লিওঁ। এর আগে লিওঁর মাঠ থেকে জিতে আসতে পারেনি বার্সা। তবে ন্যু ক্যাম্পে বার্সা বরাবরই অপ্রতিরোধ্য। ইতিহাস বদলে দেয়ার অনেক ঘটনা এই মাঠে ঘটিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা। কিন্তু বার্সার যেটুকু ভয় তার ইঙ্গিত শেষ ষোলোর আগের ম্যাচগুলোতেই দেওয়া আছে। নিজেদের মাঠে হেরে আয়াক্স আমস্টার্ডামের হাতে বিদায় ঘণ্টা বেজেছিল রিয়াল মাদ্রিদের। একইভাবে প্রথম লেগে পিছিয়ে থেকেও রোমাকে বিদায় করে দিয়েছে এফসি পোর্তো। এ ছাড়া প্যারিসে রূপকথার জয়ে ফিরে এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে তাই পান থেকে চুন খসলেই অঘটনের শিকার হতে পারে বার্সাও। পাশাপাশি এ ম্যাচের আগে বার্সার হয়তো মনে পড়বে গতবারের ফলের কথাও। যেখানে রোমার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও, পরের লেগে তারা হেরেছিল ৩-০ গোলে হেরে। তাই এ ম্যাচটিকে বাড়তি সতর্কতা থাকবে বার্সা শিবিরে।

অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় ‘অল রেড’দের আতিথ্য দেয়ার আগে অবশ্য খুব একটা স্বস্তিতে নেই বায়ার্ন মিউনিখ। বিশেষ করে দলের তিন খেলোয়াড় জেরমি বোয়াটেং, ম্যাট হ্যামেলস ও থমাস মুলারের জাতীয় দল থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে বেশ উত্তপ্ত অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বায়ার্ন শিবির। চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচের আগে জার্মান দলের এমন সিদ্ধান্তে বেশ ক্ষোভ ও বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন বায়ার্ন প্রেসিডেন্ট কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগি। এ ঘটনা কিছুটা হলেও উত্তপ্ত রাখবে বাভারিয়ানদের ড্রেসিংরুমকে। অবশ্য একদিক থেকে কিছুটা স্বস্তিতে থাকবে বায়ার্ন। বুন্দেসলিগায় দারুণ ফর্মে আছে তারা। সর্বশেষ তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতে দীর্ঘদিন পর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে তারা। শেষ দুই ম্যাচে বায়ার্ন করেছে ১১ গোল। তবে এ ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার কারণে বায়ার্নের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন না মুলার ও জোসুয়া কিমিচ। অবশ্য ফ্র্যাঙ্ক রিবেরির ফেরা কিছুটা হলেও শক্তি বাড়াবে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের।

 

"