উইন্ডিজদের বিব্রতকর রেকর্ড

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

চার-ছক্কার ঝড়ে বোলারদের গুঁড়িয়ে দিতে পারে যে ব্যাটিং লাইনআপ, তারাই কি না বিধ্বস্ত হতে পারে এভাবে! ৪৫ রানে গুটিয়ে গিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গড়ল বিব্রতকর রেকর্ড। রেকর্ড গড়া জয়ে ইংল্যান্ড জিতে নিল টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩৭ রানে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা।

টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয় এটি। ২০১২ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১১৬ রানের জয় ছিল আগের সেরা। সেন্ট কিটসে পরশু শুরুটা নড়বড়ে হলেও স্যাম বিলিংসের বিধ্বংসী ইনিংস ইংল্যান্ডকে এনে দেয় ১৮২ রানের পুঁজি। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড গড়ে হারে ক্যারিবিয়ানরা। আইসিসি পূর্ণ সদস্য কোনো দলের ৬০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার প্রথম নজির এটি। সব দল মিলিয়েও এর চেয়ে কম স্কোর আছে কেবল একটি। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল নেদারল্যান্ডস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হয়েছে ১১.৫ ওভারে। তাদের চেয়ে কম ওভারে অলআউট হয়েছিল কেবল সেই ম্যাচে নেদারল্যান্ডসই, ১০.৩ ওভারে।

ওয়ার্নার পার্কের উইকেটে বল হাতে ক্যারিবিয়ানদের শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। পাওয়ার প্লেতেই ৪ উইকেট নিয়ে নেয় তারা। ইংল্যান্ডের রান তখন ৩২। সেখান থেকেই দুর্দান্ত জুটিতে দলকে উদ্ধার করেন জো রুট ও বিলিংস। পঞ্চম উইকেটে ৬৩ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন দুজন। ৪০ বলে ৫৫ রানে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক রুট।

পরের জুটিতে রীতিমতো তান্ডব চালান বিলিংস। ডেভিড উইলিকে নিয়ে গড়েন ২৫ বলে ৬৮ রানের জুটি। তাতে উইলির অবদান ছিল ৯ বলে ১৩, বিলিংসের ১৬ বলে ৫৩! ইনিংসের শেষ বলে আউট হয়ে যখন ফিরছেন, বিলিংসের নামের পাশে তখন ১০ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৭ বলে ৮৭ রান।

জবাব দিতে নেমে ইংলিশদের বোলিং ঝড়ের সামনে পরে উইন্ডিজরা। দুই ওপেনার শাই হোপ ও ক্রিস গেইলকে ফেরান বাঁ-হাতি পেসার উইলি। মিডল অর্ডার এলোমেলো করে দেন ক্রিস জর্ডান। ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংয়ে মাত্র ২ ওভারে ৬ রানে ৪ উইকেট নেন জর্ডান। ম্যাচ সেরার পুরস্কার ওঠেছে বিলিংসের হাতে।

 

"