রাত পোহালেই মিশন শুরু বাংলাদেশের

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক
ama ami

নিউজিল্যান্ড সফর দিয়েই শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। এ যাত্রায় ঘরের মাঠে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়নি টাইগাররা। কোনো রকম অনুশীলন ছাড়াই রাগবির দেশে পাড়ি জমিয়েছেন মাশরাফি অ্যান্ড কোং। তবু আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা। কারণটা বিপিএল। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের কারণে দলের প্রায় সব ক্রিকেটার এক প্রকার খেলার মধ্যেই ছিল।

বিপিএল ফাইনালের আগের ও পরের দিন অর্থাৎ দুই দফায় নিউজিল্যান্ডে যাত্রা করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিউইদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে যারা ছিলেন তাদের অনেকেই ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছেড়ে গেছেন। ব্যাট-বলের মূল লড়াইর আগে নিউজিল্যান্ড বোর্ড একাদশের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলেন তারা।

অবশ্য ২ রানে হারা ম্যাচেও বাংলাদেশের ছিল প্রাপ্তি। ম্যাচটা যে পুরো শক্তির দল নিয়ে খেলতে পারেনি টাইগাররা। প্রস্তুতি ম্যাচে একাদশ গঠন নিয়েই তো হিমশিম খেতে হয়েছিল। কারণ ম্যাচ চলাকালীন বাংলাদেশ দলের কয়েকজনই ছিলেন যাত্রা পথে। অবশেষে পুরো দল একত্র হয়েছে। লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড মিশন। বাংলাদেশ সময় রাত পোহালেই (বুধবার সকাল ৭টা) শুরু হবে কিউইদের সঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।

কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায় নিউজিল্যান্ড সফরটা এমনিতেই বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং। সেটাকে আরো কঠিন করে তুলেছে দলে ইনজুরির প্রভাব। চোট নিয়ে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। দীর্ঘদিন পর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে তাসকিন আহমেদ ফিরলেও ইনজুরিতে পড়েছেন তিনিও। এই দুজনকে রেখেই নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমিয়েছেন মাশরাফিরা। দুজনের অনুপস্থিতিটা রীতিমতো ধাক্কা হয়েই আসছে টাইগার শিবিরের জন্য।

তবু নির্ভীক বাংলাদেশ। মাশরাফিদের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে অতীত। সেটাও খুব বেশি দূরে নয়। এই তো কয়েক মাস আগে এশিয়া কাপে সাকিবকে ছাড়া ফাইনাল খেলেছিল টাইগাররা। ওই ম্যাচে ছিলেন না দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবালও। দুই বিভাগের সেরা দুজনের অনুপস্থিতির পরও শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ।

তাই কাল প্রথম ওয়ানডেতে জয় দিয়ে শুরু করতে মরিয়া মাশরাফিরা। শুধু এশিয়া কাপই নয়, বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের পালে হাওয়া দিচ্ছে সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফর। যেখানে সীমিত ওভারের সব ম্যাচ হারলেও কিউইদের প্রতিটি ম্যাচেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল টাইগাররা; প্রতিটি ম্যাচেই লড়াই করে হেরেছিলেন মাশরাফিরা। বিরূপ কন্ডিশনে সেই পারফরম্যান্সই বাংলাদেশের প্রত্যাশাটা বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন কতটুকু ঘটে সেটাই কার্যত দেখার।

"