হ্যারির গোলে টটেনহামের জয়

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

উত্তেজনা শুরু বল মাঠে গড়ানোর আগেই। বর্ণবাদ ও ড্রাগ নেওয়ার অপরাধে উত্তর লন্ডনের পুলিশ গ্রেফতার করে তিন ফুটবল সমর্থককে। তবে মাঠের বাইরের চেয়ে অধিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে মাঠে। টটেনহামের ঘরের মাঠ লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম তখন দর্শকে ঠাসা। স্পার্সরাও হতাশ করেনি সমর্থকদের। ইংলিশ লিগ কাপ বা কারাবো কাপে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা।

পরশু প্রথম লেগে টটেনহামের জয়ের নায়ক অধিনায়ক হ্যারি কেন। ইংলিশ ফরওয়ার্ডের একমাত্র গোলে জয় পেয়েছে স্পার্সরা। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে কেনের স্পটকিকে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ডি-বক্সে ইংলিশ এই ফরোয়ার্ড ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টিটি পায় টটেনহ্যাম। ভাগ্য সহায় থাকলে ৪০ মিনিটে সমতায় ফিরতে পারত চেলসি। কিন্তু ফরাসি মিডফিল্ডার এনগোলো কন্তের শট পোস্টে বাধা পায়।

দ্বিতীয়ার্ধের ৭ মিনিটে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে কেনের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান স্প্যানিশ গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা। কিছুক্ষণ পর কন্তের দূরপাল্লার শট টটেনহ্যাম গোলরক্ষক রুখে দিলে আবারও গোলবঞ্চিত হয় একের পর এক আক্রমণ করতে থাকা চেলসি।

তবে পরাজয়টি সহজে মেনে নিচ্ছেন না চেলসি কোচ সারি। তিনি মনে করেন বিতর্কিতভাবে পেনাল্টি দেয়া হয়েছে চেলসির বিপক্ষে। বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার আগেই কেন অফসাইডে ছিলেন দাবি করেছেন সারি। ম্যাচ শেষে ব্লুজদের কোচ বলেন, ‘আমাদের চোখ হ্যারি কেনের ওপর ছিল এবং তার মাথা ও পা অফসাইডে ছিল। এটি কেবল আমরা আমাদের ক্যামরার ভিডিওতে দেখেছি। সম্ভবত ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিসট্যান্ট রেফারি) ক্যামরাটা ভিন্ন অবস্থানে ছিল। কিন্তু আমাদের ক্যামরায় এটি ছিল সম্পূর্ণ অফসাইড।’

গত নভেম্বরে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও হাইভোল্টেজ ম্যাচে টটেনহ্যামের মাঠে ৩-১ গোলে হেরেছিল কোচ মাওরিসিও সাররির দল চেলসি। আগামী ২৪ জানুয়ারি চেলসির মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে হবে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগ।

"