আজ জার্মান ক্লাসিকো

প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

আনুষ্ঠানিকভাবে জার্মান বুন্দেসলিগা শুরু হয়েছিল ১৯৬৩ সালে। সেই প্রথম থেকে দুটি দল এখনো জমিয়ে রেখেছে জার্মানদের ঘরোয়া ফুটবল। যেখান থেকে উঠে এসেছে ডাই ম্যানশাফ্টদের অসংখ্য কিংবদন্তি ফুটবলার। বুন্দেসলিগার সবচেয়ে জনপ্রিয়, সবচেয়ে সফল ও সাপে-নেউলে এই দুই দল হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। আজ মৌসুমের প্রথম ঐতিহাসিক লড়াই ‘ডের ক্লাসিকের’ খ্যাত জার্মান ক্লাসিকোতে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল। ঘরের মাঠ ওয়েস্ট ফলেন স্টেডিনে বাভারিয়ানদের স্বাগত জানাবে বিভিবি।

গত মৌসুমে বুন্দেসলিগার শিরোপা জিতেছে বায়ার্ন মিউনিখ। এমনকি তারা গত ছয় মৌসুম ধরে শিরোপাটার ধারে কাছে আসতে দেয়নি কাউকে। তবে এবার বাভারিয়ানদের বোধহয় ট্রফিটা হস্তান্তর করতে হবে তাদেরই চিরশত্রু ডর্টমুন্ডকে। কোচ লুসিয়ান ফেবারের শিষ্যরা ১০ ম্যাচে এখন পর্যন্ত এক ম্যাচেও হারেনি। সাত জয় ও তিন ড্রয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে ডর্টমুন্ড। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ছয় জয়, দুই হার ও দুই ড্রয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে বায়ার্ন। তবে দুই সপ্তাহ আগেও নতুন কোচ নিকো কোভাচের শিষ্যদের অবস্থাটা আরো খারাপ ছিল।

অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় আসার আগে ডর্টমুন্ডের দায়িত্ব সামলেছেন কোভাচ। কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের দায়িত্ব নেওয়ার পর শুরুটা ভালো হয়নি তার। তবে আজ ঘরে পুরনো ঠিকানায় ফেরার দিনে তার অভিজ্ঞতায় বড় হয়ে দেখা দিবে বায়ার্নের জন্য। দুই দলের প্রথম দেখাটা হয়েছিল ৫৩ বছর আগে, ১৯৬৫ সালে। প্রথম সাক্ষাতেই ২-০ গোলের জয় পায় ডর্টমুন্ড। এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলে দুই দলের সাক্ষাৎ হয়েছে মোট ১১৮ বার। তার মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৫ ম্যাচ জিতেছে বায়ার্ন। সবচেয়ে বড় ১১-১ (১৯৭১) গোলের জয়টিও তাদের। শেষ লড়াইতেও বায়ার্ন জয় পেয়েছে ৬-০ গোলে। তবে তা ইয়ুপ হেইঙ্কসের আমলে। ডর্টমুন্ডের জন্য ম্যাচটা আজ তাই শোধ তোলারও। চিরশত্রুদের কারণেই তো দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ হাতছাড়া হয়েছে বিভিবিদের।

ক্লাসিকোর আগেই অ্যাথেন্সকে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন। ফর্মে আছে বায়ার্ন ফরওয়ার্ড রবার্ট লেভানডভস্কি। শেষ ম্যাচেই জোড়া গোল পেয়েছেন পোলিশ ফরওয়ার্ড। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের হার নিয়ে ফিরেছে ডর্টমুন্ড। বিভিবিদের ভরসার নাম এখন পর্যন্ত সাত গোল করা পাসো আলেসার।

 

"