চোটের কাছেই হারলেন নাদাল

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্যারিয়ারজুড়ে রাফায়েল নাদালকে লড়তে হয়েছে হাঁটুর চোটের সঙ্গে। তাতেও দমে না গিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে এই স্প্যানিশ টেনিস সেনসেশন। কিন্তু কাল আর পারলেন না। প্রতিপক্ষ ‘চোটের’ বিপক্ষে হেরেই ফ্ল্যাশিং মিডোর অভিযান থামাতে হলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নকে।

চলতি বছরটা বলতে গেলে ‘অপয়া’ থেকে গেল নাদালের ক্যারিয়ারে। জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে মার্টিন সিলিচের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু ম্যাচ চলাকালীন হাঁটুর চোটে কোর্ট ছাড়তে হয় নাদালকে। কাল আরেকবার তেমন চিত্র উপস্থাপিত হলো নাদালের জীবনে। ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে তিনি মুখোমুখি হয়েছিলেন হুয়ান মার্টিন দেল পোত্রোর। ম্যাচে ৭-৬ (৭-৩), ৬-২ গেমে এগিয়ে ছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। তখনই চোট নিয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে যান ক্লে কোর্টের রাজা। যা নিশ্চিত করে দেয় ২৯ বছর বয়সী পোত্রোর ফাইনাল। তাই নোভাক জোকোভিচের বিপক্ষে রোববারের ফাইনালে দেখা হচ্ছে না নাদালের।

ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডেই পুরনো চোটটা টের পাচ্ছিলেন নাদাল। এরপরও হার না মানা মানসিকতা নিয়ে শেষ চারে উঠেছিলেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল, ইউএস ওপেনের শ্রেষ্ঠত্বটা ধরে রেখে গ্র্যান্ড সø্যামটা ১৮-তে নিয়ে যাওয়া। তা আর হলো না ৩২ বছর তারকার। ম্যাচের অর্ধেকেই তীব্র যন্ত্রণা ও হতাশায় কোর্টে বসে পড়েন তিনি। ম্যাচের পর সেই হতাশার কথাটাও বলেছেন সংবাদ সম্মেলনে, ‘আমার জন্য খেলে যাওয়াটা খুব কঠিন ছিল। খুব ব্যথা লাগছিল। আমি ‘অবসর’ ঘৃণা করি। কিন্তু আরেকটা সেট আমি লড়ে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। আমি এর থেকে পরিত্রাণের অনেক উপায় খুঁজেছি। কিন্তু লাভ হয়নি। আমি অপেক্ষা করছিলাম। তবে এটা সত্যি কঠিন, ম্যাচ চলাকালীন বিদায় বলে দেওয়া।’

২০০৯ সালে ইউএস ওপেন জয় করে প্রথম গ্র্যান্ড সø্যামের মালিক হয়েছিলেন পোত্রো। এরপর চোটের কারণে প্রায় হারিয়ে গিয়েছিলেন এই আর্জেন্টাইন। এবার দীর্ঘ ৯ বছর পর পুনরায় ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠলেন এই তিন নাম্বার বাছাই। ফ্ল্যাশিং মিডোর ফাইনালে তার প্রতিপক্ষ ১৩টি গ্র্যান্ড সø্যামের মালিক জোকোভিচ। সার্বিয়ান টেনিস তারকা ফাইনালে উঠেছেন জাপানের কেই নিশিকোরিকে ৬-৩, ৬-৪ ও ৬-২ গেমে হারিয়ে। আরেকটি গ্র্যান্ড সø্যাম জিতলেই টেনিস কিংবদন্তি পিট সাম্প্রাসকে ছুঁয়ে ফেলবেন জোকোভিচ।

 

"