মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে সেন্ট কিকটসের জয়

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ জানেন, সুযোগ খুব বেশি মিলবে না। তাই যখনই যতটুকু মিলবে, দুই হাত ভরে নিতে হবে। ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের দলে তার ভূমিকা নেপথ্য নায়কের। তবু কখনো কখনো বাকিদের ছাপিয়ে আলোচনায় চলে আসেন এই অলরাউন্ডার। সিপিএলে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসকে প্লে অফে তুলে আবার যেমন আলোচনায় মাহমুদউল্লাহ।

কাল ম্যাচ হেরে গেলে অনিশ্চয়তায় পড়ে যেত প্যাট্রিয়টসের পরের রাউন্ড। কাজটাও সহজ ছিল না। জ্যামাইকা তালাওয়াশ প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ২০৬ রান। বৃষ্টিবিঘিœত ম্যাচে প্যাট্রিয়টসের নতুন লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ১১ ওভারে ১১৮। ক্রিস গেইলের ২৪ বলে ৪১ আর সমান বলে ফন ডার ডুসেনের ৪৫ রানের ইনিংস দুইটি কাজ অনেক সহজ করে দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত প্যাট্রিয়টসকে ৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয় মাহমুদউল্লাহর ১১ বলে ২৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। দুইটি করে চার ছক্কা মেরেছেন এবারের সিপিএল খেলার একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিনিধি।

১৮ বলে ৪৩ রান দরকার, এমন সমীকরণটাও সহজ হয়ে গিয়েছিল আসলে নবম ওভারে। ডুসেন আর মাহমুদউল্লাহ মিলে ওই ওভারে তোলেন ২৭ রান। ওভারের শেষ বল বলে স্ট্রাইকে থেকে দুইটি চারের পর এক ছক্কা হাঁকান রিয়াদ। পরের ওভারে স্ট্রাইকে ফিরতেই আবার হাঁকান ছক্কা। টানা ৪ বলেই বল সীমানা ছাড়া করেছেন মাহমুদউল্লাহ। তাতেই শেষ ওভারে লক্ষ্য গিয়ে দাঁড়ায় মাত্র ২ রানে। প্রথম বলে ২ রান নিয়ে ম্যাচটা শেষ করেন মাহমুদউল্লাহই।

ডুসেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহও ম্যাচের নায়ক। সেরার পুরস্কার না পেলেও কোনো আক্ষেপ নেই। আড়ালের নায়ক থেকে যাওয়াতেই যে বেশি আনন্দ মাহমুদউল্লাহর। ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘দলে অবদান রাখতে পেরে আমি খুশি। আজ শুরু থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল বলটা দেখেশুনে মারব। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটাও এখন আমরা জিততে চাই। জয়ের ধারায় থেকেই খেলতে চাই প্লে অফে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে সিপিএল খেলার জন্য দেশে ফেরা হয়নি মাহমুদউল্লাহর। ঈদও করেছেন ক্যারিবীয় দ্বীপে। প্যাট্রিয়টসের হয়ে এমন জায়গায় খেলেছেন, ব্যাট হাতে খুব বেশি সুযোগ মেলে না। বল হাতেও না। কিন্তু তবু লোয়ার মিডল অর্ডারে নেমে বেশ কয়েকটি ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন। এর মধ্যে এক ম্যাচে বল হাতেও আলো ছড়িয়েছেন।

"