ছয় মাসের জেল পিকের

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ড্রাইভিং লাইসেন্স। শুধু বাংলাদেশ কেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স যেন আলোচিত ইস্যু এখন সারা বিশ্বের। তবে ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে ৬ মাসের জেল-জরিমানার মুখোমুখি বার্সেলোনার বিখ্যাত ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে।

পরশু দুপুরের পর গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হন পিকে। ভাগ্য খারাপ হলে আর যা হয়, পিকে পড়ে গেছেন ট্রাফিক পুলিশের রুটিন চেকের সামনে। পুলিশ গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র দেখাতে বলেন। সেখানেই দেখা গেল, লাইসেন্সই নেই পিকের। আর যায় কোথায়! ঠুকে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ মামলা।

স্পেনের আইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স যার থাকবে, তাকে দেওয়া হয় ১২ পয়েন্ট। যদি ১২ এর নিচে পয়েন্ট নেমে আসে, তাহলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। যদি পয়েন্ট পুরোপুরি শূন্য হয়ে যায়, তাহলে কোনো ড্রাইভারকে রাস্তায়ই নামতে দেয় না ট্রাফিক পুলিশ। যতক্ষণ পর্যন্ত ট্রাফিক হেডকোয়ার্টারে ২৪ ঘন্টার একটি পরীক্ষা না দেবে ততক্ষণ গাড়ি চালাতে দেওয়া হয় না কাউকে।

স্পেনের রেডিও স্টেশন ক্যাডেনা সার তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ট্রাফিট কর্মকর্তারা পিকের কাগজপত্র চেক করে দেখেন যেকোনো পয়েন্টই নেই পিকের। স্পেনে এটা মারাত্মক ক্রিমিনাল অপরাধ। দেশটির আইনে বলা আছে, এই অপরাধের জন্য অন্তত ৬ মাসের জেল কিংবা ৫৩৭০ পাউন্ড, বাংলাদেশের টাকার প্রায় ৬ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে।

রাস্তায় ড্রাইভিং করতে নেমে অপরাধ ঘটানোর ক্ষেত্রে পিকের নাম এসেছে বেশ কয়েকবার। গত বছরও গতিসীমা ভাঙার অপরাধে শাস্তির মুখোমুখি হন পিকে। ২০১৪ সালে এক ট্রাফিক কর্মকর্তার সঙ্গে বিবাধে জড়িয়ে ৯৪০০ পাউন্ড (প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা) জরিমানা দিয়েছিলেন তিনি। এর ৩ বছর আগেও আরো একটি অপরাধে শাস্তি পেয়েছিলেন জেরার্ড পিকে।

 

"