বায়ার্নকে শোয়েনির অন্যরকম বিদায়

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

বাস্তিয়ান শোয়েনস্টেইগার পেশাদারি ফুটবলে দীর্ঘ ১৭ বছর কাটিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখে। ২০১৫ সালে বাভারিয়ানদের বিদায় জানিয়ে চলে গিয়েছিলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে দুই মৌসুম কাটানোর পর নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন যুক্তরাষ্ট্রের সকার লিগের ক্লাব শিকাগো এফসিকে। তবে পুনরায় পুরনো ঠিকানা অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় ফিরেছেন শোয়েনি। কিন্তু চিত্রটা এবার ভিন্ন। উপলক্ষটা ছিল পুরনো ক্লাব বায়ার্নকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো। শোয়েনির বিদায়কে রাঙিয়ে রাখতে বায়ার্ন ঘরের মাঠে আয়োজন করেছিল শিকাগোর বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের। যেখানে ৩৪ বছর বয়সী খেলেছেন সাবেক ও বর্তমান ক্লাবের জার্সিতে। ম্যাচটিতে অবশ্য ৪-০ গোলে জিতেছে বায়ার্ন। পুরনো জার্সিতে একটি গোলও করেছেন শোয়েনস্টেইগার। প্রথমার্ধে শোয়েনি মাঠে নামেন তার বর্তমান ক্লাব শিকাগোর হয়ে। কিন্তু শক্তিশালী জার্মান জায়ান্টদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে শিকাগো। ৭ মিনিটে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন সের্গে নাবরি। ৩৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সান্দ্রো ওয়াগনার। এরপর জার্সি পাল্টে শোয়েনি পুরনো বন্ধু আরিয়েন রোবেন, থমাস মুলারদের সঙ্গে মাঠে নামেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। ৬৩ মিনিটে রোবেনের গোলের পর ৮৩ মিনিটে চতুর্থ গোল করেন শোয়েনি। ইউরোপের ফুটবলকে বিদায় জানালেও পায়ে যে এখনো জং ধরেনি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি পুরো ম্যাচে।

বিদায় উপলক্ষে বায়ার্ন মিউনিখ শোয়েনস্টেইগারকে দিয়েছে ‘অর্ডার অব মেরিট’ সম্মাননা। ১৮তম সদস্য হিসেবে বায়ার্নের হল অব ফেমে জায়গা করে নিয়েছেন জার্মানির এই বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার। যেখানে তার পূর্বসূরি হিসেবে আছেন ফ্রেঞ্জ বেকেনবাওয়ার, জার্ড মুলার, সেপ মেইয়ার, লোথার ম্যাথিউস এবং ফিলিপ লামের মতো কিংবদন্তিরা।

১৯৯৮ সালে যুবদলের হয়ে প্রথম জার্সি গায়ে চড়ান শোয়েনি। ২০০২ সাল থেকে মূল দলে জায়গা করে নেওয়ার পর থেকে অবিচ্ছিন্নভাবে ২০১৫ পর্যন্ত বাভারিয়ানদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। তার সময়ে বায়ার্ন ৮টি বুন্দেসলিগা, ৭টি জার্মান কাপ ও ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতে। বায়ার্নের হয়ে শোয়েনি মোট ৫০০ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ৬৮টি।

 

"