ব্রাজিলের বিদায়

বিস্মিত রথী-মহারথীরা

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

কাজান অ্যারেনার কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ শুরু হতে মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। ব্রাজিল ও বেলজিয়ামের ফুটবলাররা তখন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নিজ দেশের জাতীয় সংগীত গাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময় কমেন্টেটর বক্স থেকে শোনা গেল, ‘আমরা এখন প্রস্তুতি নিচ্ছি ব্রাজিল বনাম বেলজিয়ামের এফএ কাপ ফাইনাল ম্যাচ দেখার জন্য।’ কমেন্টেটর আর কেউ নন। বিবিসির সাংবাদিক জোনাথন পিয়ার্স। ভুলটা সম্ভববত তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই করেছিলেন। কারণ ‘এফএ কাপ’ হয়ে থাকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো নিয়ে। আর পরশুর ম্যাচেই দেখুন না, দুই দলের এক তৃতীয়াংশ ফুটবলারই খেলে থাকেন প্রিমিয়ার লিগে। গত এফএ কাপের শিরোপাটা উঠেছিল ইডেন হ্যাজার্ড, থিবু কোর্তোয়াদের হাতে। কোয়ার্টার ফাইনালটাও জিতেছে তারা। পরশুর ম্যাচে ব্রাজিলের পরাজয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সব জায়গায় শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়। অন্যদিকে দীর্ঘ ৩২ বছর পর সেমিফাইনালে বেলজিয়াম। ফুটবল গ্রেটরা তা নিয়ে টুইট করেছেন, কথা বলেছেন সংবাদপত্রে। এখানে পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার কিছু চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান (সাবেক জার্মান স্ট্রাইকার) : বেলজিয়ামের এটি অসাধারণ পারফরম্যান্স। তারা যথারীতি মাঠে যুদ্ধ করেছে। আপনি দেখবেন, দলটির চমৎকার জয় স্পৃহা রয়েছে। কোচ রবার্তো মার্টিনেজ চমৎকার একটি কাজ করেছেন।

তবে ব্রাজিলের একটি পেনাল্টি পাওয়া উচিৎ ছিল। ভিনসেন্ট কোম্পানি অবৈধভাবে জেসুসকে ট্যাকল করেছে। ভিএআরের দায়িত্ব কি?

রিও ফার্দিনান্দ (সাবেক ইংলিশ সেন্টার ব্যাক) : বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের ফুটবলাররা নিখুঁতভাবে সমালোচকদের জবাব দিচ্ছে। হ্যাজার্ড, লুকাকো, ডি ব্রুইনরা ক্লাবের প্রধান খেলোয়াড়। তারা এখন একসঙ্গে একটি স্বপ্নের জন্য লড়াই করছে।

অ্যালেন শিয়েরার (সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক) : বেলজিয়ামের জন্য বড় প্রশ্ন হচ্ছে, তারা কি ব্যক্তিকেন্দ্রিক একটা দল নাকি তারা একসঙ্গে খেলতে এসেছে? দুই বছর আগের বেলজিয়াম এবং আজকের বেলজিয়ামের মধ্যে এখন আকাশ-পাতাল তফাৎ।

টিটে (ব্রাজিল কোচ) : বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মানসিক চাপ সামলানো। এই চাপ বিশাল চাপ সামলানো সত্যিই কঠিন। আমি আশা করি পুরো পরিবার (বিশ্বকাপের স্কোয়াড) তাদের মাথা শান্ত রাখবে। কারণ এখন প্রচুর মানসিক চাপ সামলাতে হবে তাদের।

রবার্তো মার্টিনেজ (বেলজিয়াম কোচ) : আমি এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে গর্বিত লোক। আগামী ম্যাচের জন্য আমাদের আরো শক্তি দরকার। যাতে আমরা প্রমাণ করতে পারি সেমিফাইনালে আমরা ভালো দল।

"