ব্রাজিলে বিধ্বস্ত অস্ট্রিয়া স্পেন-ফ্রান্সের কষ্টের জয়

প্রকাশ : ১১ জুন ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

কয়েকদিন আগে প্রীতি ম্যাচে গত আসরের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হার উপহার দিয়েছিল অস্ট্রিয়া। কাল অবশ্য তারা নিজেরাই নিঃশর্ত পরাজয় বরণ করলো ব্রাজিলের বিপক্ষে। হেক্সা মিশন করার আগে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দিয়েছে ৩-০ গোলে। সেলেকাওদের হয়ে গোল তিনটি করেছেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস, নেইমার ও ফিলিপ্পে কুতিনতো। তাছাড়া পরশু বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রীতি ম্যাচ খেলতে মাঠে নেমেছিল সাবেক চ্যাম্পিয়ন স্পেন। তবে রাশিয়ার ক্রাসনোদর স্টেডিয়ামে জয় পেতে পেতে ঘাম ঝরাতে হয়েছে লা রোজাদের। লাগো আসপাসের শেষ মুহূর্তের গোলে তিউনিশিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হুলেন লোপেতেগির শিষ্যরা।

পরশু প্রথমার্ধ থেকে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল পূর্ণ শক্তির স্পেন। কিন্তু তিউনিশিয়ার রক্ষণভাগের বিপক্ষে বারবার হার মানতে হয়েছে লোপেতেগির দলকে। অন্যদিকে প্রতি-আক্রমণ থেকে উঠে কয়েকবার স্পেনে শিবিরে হামলা চালায় তিউনিশিয়া।

প্রথমার্ধটা গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় স্পেন। কিন্তু তাতেও ফল বের করতে পারছিল না ইস্কো, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তারা। লোপেতেগি এরপর দুটি পরিবর্তন আনেন দলে। ৬০ মিনিটের সময় ডেভিড সিলভার বদলে মাঠে নামান মার্কো আসনসিও এবং রদ্রিগোর বদলে ডিয়াগো কস্তাকে। ম্যাচ যখন অন্তিম মুহূর্তের দিকে গড়িয়ে যাচ্ছে তখনই লোপেতেগিকে চিন্তামুক্ত করেন জর্ডি আলভার বদলি হিসেবে মাঠে নাম আসপাস। ৮৪ মিনিটের সময় কস্তার পাস থেকে বাঁ পায়ের শটে তিউনিশিয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই সেল্টা ভিগো স্ট্রাইকার।

পরশু পুরো ৯০ মিনিট পর্যন্ত মাঠে ছিলেন ইনিয়েস্তা। কিন্তু সেভাবে আলো কাড়তে পারেননি সাবেক বার্সেলোনা মিডফিল্ডার। এই নিয়ে টানা ২০ ম্যাচ অপরাজিত থেকে শিরোপা পুনরুদ্ধারে নামবে লোপেতেগির দল। ১৫ জুন পর্তুগালের বিপক্ষে আইবেরিয়ান ডার্বির ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে স্পেন। বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুটি প্রতিপক্ষ হচ্ছে মরক্কো ও ইরান।

অন্যদিকে আরেক প্রীতি ম্যাচে হারের মুখ থেকে ফিরে এসেছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ঘরের মাঠে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের পরশু হারটা প্রায় উপহার দিয়ে দিচ্ছিল চূড়ান্ত পর্বে জায়গা না পাওয়া যুক্তরাষ্ট্র। পুরো ম্যাচে আধিপত্য নিয়ে খেলার পরও প্রথম গোল হজম করে বসে ফরাসীরা। ৪৪ মিনিটের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে দেন জুলিয়ান গ্রীন।

গোল হজমের পরপরই বিরতিতে যায় দুই দল। ফিরে এসে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দেশমের দল। মুহুর্মুহু আক্রমণ চালালেও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণদূর্গ ভাঙতে ব্যর্থ হচ্ছিল স্বাগতিকরা। অবশেষে কাঙ্খিত গোলটি এনে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৭৮ মিনিটের সময় এই পিএসজি ফরওয়ার্ডের গোলে সমতায় ফিরে ফ্রান্স।

 

ফলাফল

ব্রাজিল ৩-০ অস্ট্রিয়া

স্পেন ১-০ তিউনিশিয়া

সুইডেন ০-০ পেরু

ডেনমার্ক ২-০ মেক্সিকো

ফ্রান্স ১-১ যুক্তরাষ্ট্র

হাঙ্গেরি ১-২ অস্ট্রেলিয়া

এস্তোনিয়া ১-৩ মরক্কো

"