বৃথা গেল রবির সেঞ্চুরি

শাইনপুকুর-ব্রাদার্সের জয়

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০১৮, ০০:০০

ক্রীড়া ডেস্ক

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে জয় পেয়েছে শাইনপুকুর, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। সেঞ্চুরি করে শাইনপুকুরকে জিতিয়েছে জিতিয়েছেন সাদমান। জুনায়েদের শতকে জয় পেয়েছে ব্রাদাস। কিন্তু কাজে আসল না রবির সেঞ্চুরিটা। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের কাছে হেরে গেছে খেলাঘর।

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের অষ্টম রাউন্ডের ম্যাচ ১৩১ রানে জিতেছে ব্রাদার্স। ৩১৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৪৫ ওভারে ১৮৬ রানে গুটিয়ে গেছে কলাবাগান।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে মিজানুর রহমানকে হারায় ব্রাদার্স। দ্বিতীয় উইকেটে ৩৬ ওভারে ২০৫ রানের দারুণ জুটিতে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন জুনায়েদ-মাইশুকুর।

লিগে আগের সাত ম্যাচে দুই অঙ্কে যাওয়া জুনায়েদ পঞ্চাশ ছুঁতে পারেননি একবারও। এবার ১১১ বলে ১৬টি চার ও তিনটি ছক্কায় খেললেন ১২৩ রানের চমৎকার ইনিংস।

আগের সেরা ৮৮ ছাড়িয়ে যাওয়া মাইশুকুর ছিলেন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরির পথে। তবে মাত্র চার রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপে পুড়তে হয় এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে। ১২১ বলে খেলা তার ৯৬ রানের ইনিংসে ৬টি চারের পাশে ছক্কা তিনটি।

দুটি করে ছক্কা-চারে ২৬ রান করে ফিরে যান অলক কাপালী। শেষের দিকে ভারতীয় ব্যাটসম্যান অভিষেক রমন ও ইয়াসির আলী চৌধুরীর ব্যাটে তিনশ ছাড়ায় ব্রাদার্সের সংগ্রহ।

আগের ম্যাচ সেঞ্চুরি করা তাসামুল হক (৪৪) ফিরেন রান আউট হয়ে। সেই ম্যাচের আরেক সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ আশরাফুল আবার আউট শূন্য রানে। শেষ চার ম্যাচে এনিয়ে তিনবার ফিরলেন রানের খাতা খোলার আগেই।

পাকিস্তানের অলরাউন্ডার আকবর উর রেহমান ফিরেন ৩৫ রান করে। ১২৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে দলকে দুইশ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান অধিনায়ক মুক্তার আলী। ৫৯ বলে ছয়টি ছক্কা ও দুটি চারে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের অষ্টম রাউন্ডের ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতেছে শাইনপুকুর। ২৬৩ রানের লক্ষ্য ৯ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে যায় শুভাগত হোম চৌধুরীর দল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৫ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে শেখ জামাল। তৃতীয় উইকেটে হাসানুজ্জামানের সঙ্গে ১১৩ রানের জুটিতে দলকে পথ দেখান জিয়াউর রহমান।

৫৬ বলে ৬১ রান করা হাসানকে ফিরিয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠা জুটি ভাঙেন আফিফ হোসেন। চারটি করে ছক্কা-চারে ৮৭ বলে ৭৯ রানের ইনিংসে দলকে ৩ উইকেটে ১৭৭ রানের দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড় করান জিয়া।

৩১তম ওভারে জিয়া ফিরে যাওয়ার পর আর তেমন কোনো জুটি পায়নি শেখ জামাল। সময়ের দাবি মেটাতে পারেননি পরের ব্যাটসম্যানরা। অনেক বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতে ২৬২ রানে গুটিয়ে যায় শেখ জামাল। দলটি শেষ ৭ উইকেট হারায় ৮৫ রানে।

রান তাড়ায় ফারদিন হাসানের সঙ্গে ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে দলকে ভালো শুরু এনে দেন ম্যাচ সেরা সাদমান। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় উইকেটে উদয় কাউলের সঙ্গে গড়েন ৪৭ রানের আরেকটি জুটি।

অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ১২১ রানের দারুণ জুটিতে দলকে জয় এনে দেন লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া সাদমান। আগের সেরা ১০৩ ছাড়িয়ে অপরাজিত থাকেন ১৪৪ রানে। তার ১৪৭ বলের ইনিংসে ৯টি চারের পাশে ছক্কা দুটি। ছন্দে থাকা হৃদয় ৫৬ বলে অপরাজিত থাকেন ৫০ রানে।

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের অষ্টম রাউন্ডের ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতেছে রূপগঞ্জ। ২৬০ রানের লক্ষ্য ২১ বল বাকি থাকতেই পেরিয়ে যায় নাঈমের দল।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে সাদিকুর রহমানকে হারায় খেলাঘর। শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে ৪১.১ ওভারে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের সঙ্গে ১৮২ রানের জুটি গড়েন রবি।

"