বৃষ্টি দিনের পোশাক

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

জীবনযাপন ডেস্ক

বাংলার প্রকৃতিতে এখন বর্ষা। তারপরও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ট জনজীবন। হয় তো কিছুদিনের মধ্যেই আমরা দেখব আকাশ ভরা কালো মেঘ। ঝেপে নামবে বৃষ্টি। রিম ঝিম সেই বৃষ্টির ছোঁয়ায় নতুন সাজে সাজবে প্রকৃতি। শুধু কি তাই? প্রকৃতির এই নতুন সাজে কে না সাজতে চায়। তবে কীভাবে সাজবেন, সেক্ষেত্রে কিছু স্মার্ট ফেব্রিকের কথা মাথায় রাখলে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হবে না। যে পোশাকই পরুন না কেন, এই ম্যাটেরিয়ালগুলোই বেছে নিন। তা হলেই আপনার সাজে আসবে নতুনত্ব। পোশাকে হালকা সবুজ, সাদা এবং উজ্জ্বল রংগুলোর সংমিশ্রণ রাখা যেতে পারে। আসলে প্রকৃতির এই রূপকেই আমরা পোশাকে ধারণ করে থাকি। এর মধ্যে নীল রং আবার বিশেষভাবে বর্ষার রং হিসেবে পরিচিত। তাই বৃষ্টির দিনের সাজপোশাকে তো আর আমরা নীল রংকে বাদ দিতে পারি না। তবে লাল, কমলা, হলুদ, বেগুনি রংও রাখা যেতে পারে। তবে কাপড় হিসেবে প্রতিদিনকার চলাফেরার জন্য জর্জেট, সিল্ক, সিনথেটিক কিংবা কটন কাপড়ের জামা তৈরি করা যেতে পারে।

সুতি : সবচেয়ে উপযুক্ত ফেব্রিক সুতি। বর্ষাকালে চোখ বুজে সুতির পোশাক পরতে পারেন। মেঘলা আকাশে গুমোট গরমে সুতির পোশাক পরলে যেমন গরম লাগে না, তেমনই ভিজে গেলে তাড়াতাড়ি শুকিয়েও যায়। হাওয়া চলাচল করার কারণে সুতির পোশাক খুবই আরামদায়ক। সুতির কুর্তা অফিসে পরার জন্য খুবই ভালো। এ ছাড়া কটন স্কার্ট, কটন ম্যাক্সি ড্রেস, কুর্তি, কটন টপ পরতে পারেন। যেকোনো ফরমাল অনুষ্ঠানে কটন শাড়ি পরে গেলে স্টাইলিশ, কমফোর্টেবল দুটোই বোধ করবেন। ছেলেরাও কটন শার্ট, টি-শার্ট, কুর্তা পরুন।

সিফন : যদি বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ই বৃষ্টি পড়ে বা কাদা ভেজা থাকে রাস্তা, তা হলে বাস্তব বুদ্ধি কাজে লাগান। সিফন বা নাইলন এসব দিনে পরার জন্য সবচেয়ে ভালো। ভিজে গেলে এসব ফেব্রিক সবচেয়ে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। সিফন টপ, স্কার্ট, শাড়ি সব কিছুই পরতে পারেন; তবে লং পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো। বৃষ্টি পড়লে শর্টস বা ক্যাপ্রির সঙ্গে পরে নিতে পারেন সিফন টপ। যেকোনো অনুষ্ঠানে পুরুষরাও আজকাল সিফন শার্ট পরছেন। বর্ষার যেকোনো অনুষ্ঠানের জন্য এই শার্টগুলো খুবই সুবিধাজনক।

ডেনিম : অনেকেই মনে করেন ডেনিম বর্ষাকালে পরা যায় না। সত্যিই ডেনিম বর্ষাকালে বিশেষ কমফোর্টেবল নয়। তবে কিছু বিষয় মাথায় রেখে ডেনিম পরতে পারেন। একবার ভেবে দেখুন তো কটন ট্রাউজার্স পরে ভেজা রাস্তা পার হওয়ার সময় কী অবস্থা হয়? এই অবস্থায় কিন্তু ডেনিম অনেক বেশি সুবিধাজনক। গুটিয়ে যেমন নেওয়া যায়, কাদার দাগও বিশেষ বোঝা যায় না। ডেনিম টাফ ম্যাটেরিয়াল হওয়ার কারণে সহজে নষ্টও হয় না।

 

"