ত্বকের যত্নে চন্দন

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

জীবনযাপন ডেস্ক

গরমে ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় চন্দন। অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করবে। রূপচর্চায় চন্দনের ব্যবহার করা হলে পরবর্তীকালে ত্বক ঠান্ডা পরশও পায়। রূপবিশেষজ্ঞরা এটিকে সব গুণে গুণান্বিত একটি উপাদান হিসেবেই দেখে থাকেন। চন্দনগাছের কাঠ শুকিয়ে গুঁড়া করে পাওয়া যায় চন্দন গুঁড়া বা স্যান্ডেলউড পাউডার। ত্বক পরিষ্কার করা, উজ্জ্বল করা, রোদে পোড়া ভাব দূর করা, ত্বককে সজীব করে তোলা ছাড়াও অসংখ্য গুণ আছে এ উপকরণটির। হারমনি স্পার আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন, সাধারণত ত্বকের কয়েকটি শ্রেণি থাকে। শুষ্ক ত্বক, তৈলাক্ত ত্বক ও সংবেদনশীল ত্বকÑ এ তিন ধরনের ত্বকের জন্য চন্দনকে ভিন্নভাবে ব্যবহার করতে হবে।

চন্দনের কিছু সাধারণ ব্যবহার :

বলিরেখা দূর করে : চন্দন অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদানগুলোর সমন্বয়ে গঠিত, যা আপনার মুখের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এর বিরোধী প্রদাহজনক এজেন্ট আছে, যা বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। চন্দন একটি চমৎকার ধহঃর-ধমরহম উৎস হিসেবে পরিচিত।

রোদে পোড়া দাগ দূর করে : রোদে পোড়া ভাব দূর করতে চন্দন বেশ উপকারী। শসার রস, চন্দনের গুঁড়া, দই ও গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে রোদে পোড়া ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাক রোদে পোড়া ভাব কমাবে এবং রোদের পোড়ার কারণে ত্বক জ্বলা কমাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় : ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চন্দনের জুড়ি নেই। মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য হলুদ বাটা ও চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রং উজ্জ্বল হবে।

ডার্ক সার্কেল দূর করে : আপনার যদি ডার্ক সার্কেল থাকে তা হলে অল্প পরিমাণ চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে চোখের চারপাশে লাগান। সারা রাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন। এক সপ্তাহের মধ্যে চোখের চারপাশের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।

মুখের দাগ দূর করে : ডিমের কুসুম বা মধু ও চন্দন গুঁড়া একসঙ্গে পেস্ট মিক্সড করে লাগালে মুখের দাগ দূর হয়। প্রতিদিন দুই চা চামচ চন্দনের গুঁড়া ও গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই প্যাক মুখে লাগিয়ে নিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। এভাবে প্রতিদিন রাখলে মুখের দাগ দূর হবে ও ত্বক উজ্জ্বল হবে।

"