পহেলা বৈশাখের সাজ

প্রকাশ | ১২ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

জীবনযাপন ডেস্ক

পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ঘিরে প্রতিটি বাঙালির মনে জাগে নতুন প্রত্যাশা। এই দিনটি উপলক্ষে বাঙালিদের থাকে হাজারো পরিকল্পনা। নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার জন্য থাকে নানা বর্ণিল আয়োজন। পহেলা বৈশাখ মানে বাঙালির প্রাণের উৎসবে মেতে উঠার নাম। মজার সব খাবার আর সাজ-পোশাকে ঘটে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। পহেলা বৈশাখের সাজ মানেই লাল আর সাদার সমাহার। কিছু বছর আগেও পহেলা বৈশাখের পোশাকে দেশি বাদ্যযন্ত্র আর ব্যবহার্য জিনিসের নকশার প্রাধান্য বেশি পেত। ধীরে ধীরে সে নকশায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলার প্রকৃতি আর নানা আলপনার ছবি। লাল-সাদা রঙের সঙ্গে হচ্ছে কমলা, নীল, হলুদ, বেগুনি ইত্যাদি রঙের মিলন। বয়স, পরিবেশ আর অভ্যাসের সঙ্গে মিল রেখে বেছে নিতে পারেন বছরের নতুন পোশাকটি।

পহেলা বৈশাখ উৎসবটি একেবারে দেশীয় সংস্কৃতির, তাই বাঙালি নারীদের প্রথম পছন্দের শাড়ি হলো সুতির শাড়ি। অনেকে জামদানি বা সিল্ক শাড়ি পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজে থাকতে পারে গ্রামীণ আবহ। ঘটি হাতা, গলায় কুচি, লেচ ফিতায় ব্লাউজ বা প্রিন্টের যেকোনোটায় মানিয়ে যাবে।

পোশাকের সঙ্গে গহনার বিষয় আসবেই। কেউ সম্পূর্ণ ফুলেল সাজে সজ্জিত হতে চান, কেউ বেছে নেন মাটির গহনা। কেউবা পুঁতি বিডস আর ইমিটেশন বেছে নেন। বাঙালি নারী অলঙ্করণে হাতভর্তি কাচের চুড়ির জুড়ি নেই। আলতা রাঙা পাও বৈশাখী সাজে অপরিহার্য ধরা চলে। তবে দিনভর ঘোরাঘুরিতে যে সাজ আপনার জন্য স্বস্তিদায়ক, সেটাই বেছে নেওয়া উচিত। আজকের তরুণীরা আবার নানা ডিজাইনের লাল-সাদায় টপস বা সালোয়ার-কামিজ বেছে নিচ্ছেন। সেখানেও ব্যবহার চলে নানা রকম গহনার।

ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবিই বেশি মানানসই। পাঞ্জাবির সঙ্গে চুড়িদার সালোয়ার, ধুতি, পাজাম বা প্লেন কাটের পাজামা বেশ মানাইসই। কেউ কেউ প্যান্টের সঙ্গেও পরে নেন। পাঞ্জাবির সঙ্গে রঙিন দোপাট্টা কিন্তু খুব মানানসই। বাঙালি আবহ আনতে রঙিন গামছাও শোভা পায় ফ্যাশনসচেতন ছেলেদের গলায়। এ দিনে কেউ চাইলে ফতুয়া বা গেঞ্জিও পরতে পারেন। বাচ্চা মেয়েদের পরাতে পারেন পাতলা সুতির শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ। ছেলে বাচ্চাদের পাঞ্জাবি বা ফতুয়া। শখ আর সাধ্যের মধ্যে হতে পারে আপনার পছন্দের বৈশাখী পোশাকটি।

 

"