রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে বিবাদে ট্রাম্প

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, দেশে লকডাউন তুলে নেওয়ার ব্যাপারে তার একক কর্তৃত্ব রয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজ্যের গভর্নর ও আইন বিশেষজ্ঞদের তিনি উপেক্ষা করতে পারেন। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন তিনি। এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গেও বিবাদে বিবাদে জড়িয়েছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে বলা আছে, আইনশৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব অঙ্গরাজ্যগুলোর। তবে ট্রাম্পের এক কথা, ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’ দেশটির পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় ১০টি রাজ্য ঘরের ভেতর থাকার কঠোর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

হোয়াইট হাউসে প্রতিদিনের করোনাভাইরাস ব্রিফিংয়ে গত সোমবার ট্রাম্প বলেন, আমেরিকায় ব্যবসা বাণিজ্য খুলে দিয়ে অর্থনীতিকে আবার সচল করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে তার প্রশাসন। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ব্যবসা বাণিজ্য প্রধানত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে বিধিনিষেধ শিথিল করার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১ মে। হোয়াইট হাউসের বর্তমান নির্দেশ অনুযায়ী রেস্তোরাঁয় যাওয়া বন্ধ রাখা, অপরিহার্য কারণ ছাড়া বাইরে না বের হওয়া এবং একসঙ্গে ১০ জনের বেশি জমায়েত না হবার যে বিধান এখন চালু আছে তার মেয়াদ ৩০ এপ্রিল শেষ হচ্ছে।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রশাসন আলাদা আলাদাভাবে ঘরের ভেতর থাকার যে নির্দেশ জারি করেছে, তা অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের আছে কি-না উত্তরে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের একক কর্তৃত্ব রয়েছে। তার ক্ষমতাই চূড়ান্ত। গর্ভনররা সেটা জানেন। তারপরও হোয়াইট হাউস রাজ্যগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে।

ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম চার্টারের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে প্রেসিডেন্টকে এই একক কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সেগুলো কোন অনুচ্ছেদ তা তিনি স্পষ্ট করেননি। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজ্য বা স্থানীয় পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কোনো রকম নিষেধাজ্ঞা বা নির্দেশ বদলানোর এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের নেই।

 

"