যুক্তরাষ্ট্রে হামলা

বন্দুকধারীর গুলিতে নিজের বোনও নিহত

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ডেটনে বন্দুক হামলায় যে ৯ জন নিহত হয়েছেন তাদের মধ্যে বন্দুকধারীর নিজের বোনও রয়েছেন। ২২ বছর বয়সি ওই নারীর নাম মেগান বেটস। হামলায় প্রথমেই যে কয়েকজনের গায়ে গুলি লেগেছিল, তিনি ছিলেন তাদের মধ্যে একজন। পুলিশ জানিয়েছে, বন্দুক হামলা ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময় স্থায়ী হয়। ওই হামলায় আরো ২৭ জন আহত হয়েছে।

গুলির শব্দ শোনার কিছুক্ষণ পরেই সেখানে উপস্থিত হয় পুলিশ। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় হতাহতদের পাশের বেশ কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্দুক হামলাকারীও ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। বন্দুকধারী কনর বেটস যখন হামলার পর একটি জনাকীর্ণ বারে প্রবেশ করতে যাচ্ছিলেন, তখনই পুলিশ তাকে গুলি করে।

ডেটনের পুলিশ প্রধান রিচার্ড বিয়েল বলেন, বেটস যদি বারের দরজা দিয়ে ঢুকতে পারতেন, তাহলে ‘ব্যাপক প্রাণহানি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে এই হামলার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল তা এখনো পরিষ্কার নয়। টেক্সাসের এল পাসোতে বন্দুক হামলার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় ওহাইওতে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ কর্মকর্তা বিয়েল জানান, স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫ মিনিটে বেটস প্রথম গুলি চালান। এরপর আরো কয়েক রাউন্ড গুলি চালান তিনি।

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয় নেড পেপার্স নাইটক্লাবের দরজা দিয়ে দৌড়ে ভেতরে ঢুকছে লোকজন। তার কয়েক সেকেন্ড পরই বন্দুকধারী বেটসকে দেখা যায় বারের দরজার দিকে দৌড়ে যেতে। দরজার কাছে পৌঁছাতেই পুলিশের গুলিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

বেটসের গায়ে বম এবং তার হাতের অ্যাসল্ট রাইফেলের জন্য অতিরিক্ত গুলিও ছিল। পুলিশ প্রধান বিয়েল বলেন, ওই ব্যক্তি যদি এসব অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে নেড পেপার্স বারের দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে পারত, তাহলে হতাহতের সংখ্যা এবং ভয়াবহতা আরো ব্যাপক হতে পারত।

পুলিশ জানিয়েছে, রাইফেলটি টেক্সাস থেকে অনলাইনে কেনা হয়েছিল। বন্দুকধারীর অতীত ইতিহাস যাচাই করে দেখা গেছে, বৈধভাবে ওই বন্দুক কেনার ক্ষেত্রে তার কোনো বাধা ছিল না।

"