কলকাতায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে দোষারোপ

প্রকাশ | ১৬ মে ২০১৯, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলকাতায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গেছে। সঙ্গে দোষারোপ, পাল্টা দোষারোপের পর্বও চলছে। এ বিষয়ে দিল্লিতে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নানা অভেযোগ করেছেন বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বলেন, বাংলায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব কেন? প্রথম থেকেই পক্ষপাতিত্ব করছে নির্বাচন কমিশন। মমতা চাইলে এই হিংসার তদন্ত করাতে পারেন। নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাতে পারেন। কাল সিআরপিএফ না থাকলে বাঁচতাম না। বাংলার মানুষের আক্রোশ দেখেছি। বাংলায় যে পরিস্থিতি চলছে তার জন্য দায়ী মমতা দিদি। আমার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। আমরা ভয় পাই না। এতে বিজেপি কর্মীরা পিছিয়ে যাবে না। ৭ দফা ভোটের পর দেশে ৩০০-এর বেশি আসন জিতে সরকার গড়বে বিজেপি। বাংলায় ২৩-এর বেশি আসন জিতবে বিজেপি। যত হিংসার পাঁক ছড়াবেন, ততই পদ্মফুল ফুটবে। কেন মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি? দুদিন আগেই মমতা বলেছিলেন, বদলা নেব। ৬ দফা লোকসভা ভোটে রিগিং করেছে তৃণমূল। যেখানে গ-গোল হয়েছে, সেখানে চুপ ছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট ব্যাংকের স্বার্থে মূর্তি ভেঙেছে তৃণমূল। যত হিংসার রাস্তা তৈরি করবেন, ততই ভারতীয় জনতা পার্টির জেত পাকা হবে। বিজেপির র‌্যালিতে কেরোসিন বোমা ছোড়া হয়। কলেজের গেট বন্ধ থাকলে মূর্তি ভাঙল কে? পঞ্চম দফার পর তৃণমূল বুঝে গেছে ওরা হারতে চলেছে, তাই এমন কা- ঘটাচ্ছে। হাঙ্গামার পরও বিদ্যাসাগরের মূর্তি অবিকৃত ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় ৬০ জনকে খুন করা হয়েছে। তৃণমূলের গুন্ডারাই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে। বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে। মমতার লোকরাই ভেঙেছে সহানুভূতি আদায়ের জন্য। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে। কিন্তু কলেজের ভেতরে কারা ছিল? মূর্তি ছিল ঘরের ভেতর।

 

"