সালমান শাহর ফাঁসির দড়ি, আলামতের ছবি অনলাইনে ভাইরাল

ডনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে মুখ খুললেন সামিরা

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র অভিনেতা সালমান শাহ। সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রুবি সুলতানার একের পর এক ভিডিও প্রকাশ-

ভক্ত সাধারণের মনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রুবি কখনো এটাকে বলেছেন হত্যাকান্ড, কখনো বলছেন আত্মহত্যা, শেষপর্যন্ত তিনি নিজেকে মানসিক রোগী বলেও দাবি করে তার বলা আগের সব বক্তব্য অস্বীকার করেছেন। সালমানের মা বিষয়টি

নিয়ে সোচ্চার কণ্ঠে আবারও বিচারের দাবি তুলেছেন। তবে মূল আলোচনা জমে উঠেছে ফেসবুকে। সালমান শাহর মৃত্যুর ফাঁসির দড়ি নিজে পরেছেন নাকি তাকে কেউ পরিয়ে দিয়েছে, সেই বিতর্ক আদালতপাড়া পর্যন্ত গড়িয়েছে।

দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী নিজের সন্তানের ‘হত্যা মামলা’ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন তার ছেলেকে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সেই সিলিং ফ্যান ও ফাঁসির দড়ি বলে ‘দাবি করা’ ছবিগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে ফেসবুকে। যা ভাইরাল হয়েছে। সালমান ভক্তরা এই ছবিটি শেয়ার দিয়ে নিজেদের মনের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুর বিষয়ে। শুধু ফাঁসির দড়ির ছবি না মৃত্যুর পর দিন সালমান শাহর বাসা থেকে আরো যেসব আলামতের ছবি তোলা হয়েছিল, সেসবের ছবিও ভাইরাল হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন গার্ডেন এলাকায় ভাড়া বাসায় পাওয়া যায় অভিনেতা সালমান শাহর লাশ। ওই ঘটনায় সালমানের বাবা কমর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী রমনা থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেন। ২০০২ সালে মারা যান সালমান শাহর বাবা। লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে থাকা রুবির বিরুদ্ধে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ করে আসছিলেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। পুত্রবধূ সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, চলচ্চিত্রের খল চরিত্রের অভিনেতা ও সালমানের বন্ধু আশরাফুল হক ওরফে ডন, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মাদ ভাই, রুবি, রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ, সহকারী নৃত্যপরিচালক নজরুল শেখ, ডেভিড, মোস্তাক ওয়াহিদ, আবুল হোসেন খান ও গৃহকর্মী মনোয়ারাকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে আদালতে আবেদন করেন নীলা চৌধুরী।

ডনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে মুখ খুললেন সামিরা : সালমান শাহর স্ত্রী সামিরার সঙ্গে খল অভিনেতা ডনের একটি অন্তরঙ্গ ছবিও ভাইরাল হয়। ছবিটিতে সালমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ডনের সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায় এক নারীকে। ‘ডিভোর্স’ শব্দটিই সালমানের মৃত্যুফাঁদ-এ শিরোনামে ‘অপরাধ চক্র’ সাময়িকীতে বেশ কয়েক বছর আগে প্রতিবেদন করে। সেই প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি ছবি জুড়ে দেওয়া হয়। তার মধ্যে ভাইরাল হওয়া ওই ছবিটিও ছিল।

ছবিটিতে ডনের সঙ্গে যে নারীকে দেখা গেছে, সেটি তিনি নন দাবি করেছেন সামিরা। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এটা “আশা ভালোবাসা” নামে একটা সিনেমার শুটিং চলাকালীন তোলা। ডনের সঙ্গে যে মেয়েটিকে ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ওটা আমি নই, ওটা নায়িকা সাবরিনার সঙ্গে ডনের ছবি। ওই ছবিটা সালমান ভ্যান্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে তুলে ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেছিল। এরপর ডন ওই ছবি নেওয়ার জন্য সালমানের পেছনে তিন দিন ঘুরেছিল। দেখুন সালমান শাহর সম্পর্কে আপনাদের ইমোশন আমি বুঝি, শ্রদ্ধা করি। ইমন আমাকে ভালোবাসত, আমিও ইমনকে ভালোবাসতাম। তাই সবকিছু নিশ্চিত না হয়ে আমাকে অপবাদ দেবেন না প্লিজ।’

"