বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৭, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটায় দুর্গত এলাকায় খাদ্য সংকটের পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

কুড়িগ্রাম : বন্যার পানিতে ডুবে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। চিলমারী উপজেলার কাচকোলে ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের ৫০ মিটার বাঁধ এবং রৌমারী উপজেলার যাদুরচরে কত্তিমারী বাজার রক্ষা বাঁধ ভেঙে নতুন করে ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জেলার ৭টি উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নের ৫০০ গ্রামের দুই লক্ষাধিক মানুষ গত ৭ দিন ধরে পানিবন্দী অবস্থায় জীবন যাপন করছে। অনেক পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিলেও এসব এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ওঠায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বগুড়া : যমুনার পানি বেড়ে যাওয়ায় সারিয়াকান্দি উপজেলার নি¤œাঞ্চলের আরো অনেক এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। সেখানেও খাদ্য এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবে দুর্ভোগ বাড়ছে বানভাসীদের। সারিয়াকান্দি, সোনাতলা এবং ধুনটের ৪৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ : যমুনা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে প্লাবিত হয়েছে ৩০টি ইউনিয়নের নি¤œাঞ্চল। এখানেও পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। অনেকেই বাধ্য হয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। পানি ঢুকে পড়ায় ১৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

গাইবান্ধা : নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা কবলিত ৪টি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়নের অন্তত ৯৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

জামালপুর : যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে বকশীগঞ্জ উপজেলার আরো ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এখনো ৪০টি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। জেলার ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি এবং খাদ্য সংকট চলছে। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রকম রোগ।

"