সন্ধ্যা ৬টা-সকাল ৬টা পর্যন্ত বের হতে মানা

জরুরি সেবার আওতায় সব গণমাধ্যম

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

নভেল করোনাভাইরাসের মহামারি মোকাবিলায় শাটডাউনের মধ্যে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করে যে আদেশ হয়েছে, তা বলবৎ থাকবে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত। আপাতত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চলবে জানিয়ে গতকাল শনিবার ‘ছুটির’ আদেশ সংশোধন করেছে সরকার। চতুর্থ দফায় ঘোষিত ১১ দিনের ছুটির আদেশে গত শুক্রবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সন্ধ্যা ৬টার পর ঘর থেকে বের হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কতক্ষণ তা বলবৎ থাকবে সে বিষয়ে আদেশে বলা ছিল না।

শনিবার ছুটির আদেশ সংশোধন করে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস আদালত বন্ধ রেখে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সেই সঙ্গে সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়ায় বিশ্বের আরো অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষও ঘরবন্দি দশার মধ্যে পড়ে, যাকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বর্ণনা করা হচ্ছে ‘লকডাউন’ হিসেবে। সরকারি ভাষায় সেই ছুটির মেয়াদ এরপর চার দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় ঘোষিত সরকারি ছুটির সময় সব গণমাধ্যমকে জরুরি সেবার আওতায় আনা হয়েছে। করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলার মধ্যে এতদিন শুধু সংবাদপত্রকে জরুরি সেবার আওতায় রাখা হয়েছিল। শনিবার ছুটির আদেশ সংশোধন করে সব গণমাধ্যমকে জরুরি সেবার আওতায় আনা হয়েছে।

শুক্রবারের আদেশে বলা হয়েছিল, জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্পপণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে এবং জরুরি প্রয়োজনেও অফিস খোলা রাখা যাবে বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল। শনিবার সংশোধিত আদেশে ‘সংবাদপত্র’ শব্দটি বাদ দিয়ে সেখানে ‘গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া)’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

 

"