যুবলীগের খালেদ ও শামীম ফের রিমান্ডে

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

আদালত প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনের দুই মামলায় ফের সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর আহসান চৌধুরী মানি লন্ডারিং আইনে চার দিন এবং আরেক মহানগর হাকিম কনক বড়ুয়া মাদক মামলায় তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন। একই দিন অস্ত্র মামলায় গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে মানি লন্ডারিং মামলায় তার আরো পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত এ নির্দেশ দেন।

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ্য করেন, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে খালেদের গুলশানের বাসা তল্লাশি করে অস্ত্র, মাদক ও বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় তিনি জানান, মতিঝিলের ইস্টার্ন কমলাপুর কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের পঞ্চম তলার ৪০২ নম্বর রুমে ভূঁইয়া গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই ফ্ল্যাটে ব্যবসার আড়ালে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন করা হতো।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাক্ষীদের সম্মুখে তার অফিসের বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি চালান। তল্লাশিকালে তার অফিস থেকে ১৯০ পিস ইয়াবা, দেশি ও বিদেশি বিয়ার, সিসা, গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসামির দখলে আরো বিপুল পরিমাণ সিসা, বিদেশি বিয়ার ও ইয়াবা ট্যাবলেট মজুদ আছে। তাই তাকে মামলাটিতে গ্রেফতার দেখানোপূর্বক রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য প্রার্থনা করেন এ তদন্ত কর্মকর্তা।

এ সময় আদালতে খালেদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী লিয়াকত আলী লিটন, হাসানসহ কয়েকজন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আজাদ রহমান। আর যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে হাজার কোটি টাকার সরকারি কাজের ঠিকাদারি চালিয়ে আসা জি কে শামীমকে গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার বাড়ি ও অফিস থেকে নগদ প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকা এবং ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর নথি জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা হয় মদ ও অস্ত্র।

 

"