গোপালগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ

পুকুরে ডুবে ৩ বোন ও ২ ভাইয়ের মৃত্যু

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

গোপালগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন বোন ও মুন্সীগঞ্জে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। গোপালগঞ্জে নিহতরা হলো মেহেরজান আক্তার (৫) ও মারিয়া আক্তার (৩) ও ঝর্ণা আক্তার (৩)। আর মুন্সীগঞ্জে মারা গেছে মো. সাকির (৫) ও সেজান (২৫)। গতকাল রোববার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে ও মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার কুশরিপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া পটুয়াখালীর বাউফলে ডোবার পানিতে ডুবে সোনামণি (৪) নামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গোপালগঞ্জে নিহতদের মধ্যে মেহেরজান আক্তার ও মারিয়া আক্তার আপন বোন। তারা ওই গ্রামের মেরাজ শেখের মেয়ে। আর ঝর্ণা আক্তার তাদের ফুফাতো বোন। তার বাবার নাম নুর আলম, বাড়ি পাশে তপারকান্দি গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকালে পুকুর পাড়ে খেলতে যায় তিন বোন। দীর্ঘক্ষণ পরও তাদের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা ওই পুকুরে তাদের খুঁজতে থাকেন।

এক পর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে তাদের পুকুর থেকে ডুবন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটবর্তী রাজৈর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সবাইকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে একই সঙ্গে তিনি বোনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মুন্সীগঞ্জে সাকির ও সেজান মামা বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে নৌকায় চড়তে গিয়ে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই। নিহত সেজানের বাড়ি কোলাপাড়া গ্রামে, বাবার নাম আখলাছ মিয়া। অপরদিকে সাকিরের বাড়ি গাজীপুরে, বাবার নাম মো. নাছির।

শ্রীনগর থানার ওসি ইউনুচ আলী জানান, মামা বাড়িতে বেড়াতে এসে স্থানীয় একটি পুকুরে নৌকায় চড়ে দুই খালাতো ভাই সাকির ও সেজান। কিন্তু তলা ফাটা থাকায় কিছুক্ষণ পর নৌকাটি ডুবে যায়। তাদের মধ্যে সেজানের বয়স ২৫ হলেও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় এবং সাকিরের বয়স কম হওয়ায় কেউই সাঁতারে তীরে উঠতে পারেনি। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

পটুয়াখালী : বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরমিয়াজান গ্রামে নিহত সোনামণি সেলিম খানের মেয়ে। সকালে খেলা করা সময় সবার অজান্তের বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে পড়ে ডুবে যায় সোনামণি। পরে তাকে দীর্ঘক্ষণ না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করে স্বজনরা। এক পর্যায়ে ওই ডোবা থেকে তার ভাসমান নিথর দেহ উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

"