যুবলীগ নেতা হত্যার আসামি

আরো ২ রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

উখিয়া প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামি আরো দুই রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের জমির আহাম্মদের ছেলে মো. আবদুল করিম (২৪) এমআরসি নং-৪৫৯৫০ এবং একই ক্যাম্পের একই ব্লকের সৈয়দ হোসেনের ছেলে নেছার আহাম্মদ (২৭) এমআরসি নং-৩৫১২২। গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে হ্নীলা জাদিমুরা চাইল্ড ফ্রেন্ডলি স্পেস অফিসের পেছনের পাহাড়ে পুলিশের সঙ্গে এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ওমর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি ডাকাত নূর মোহাম্মদসহ ৫ জন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলো।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ জানান, যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিরা ওই পাহাড়ের ওপর পানির ট্যাংকের নিচে অবস্থান করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারী দুষ্কৃতকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় পুলিশও জীবন ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষার জন্য গুলি করে। ঘটনাস্থল থেকে দুষ্কৃতকারীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দুটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র) সাত রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ এবং ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসা জব্দ করা হয়। এ সময় দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা তাদের মো. আবদুল করিম (২৪) ও নেছার আহম্মদ প্রকাশ নেছার ডাকাত (২৭) বলে চিহ্নিত করেন।

পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর ভোরে ওমর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নূর মোহাম্মদ ও ২৩ আগস্ট মো. শাহ, আব্দু শুক্কুর নামে আরো দুই আসামি একই এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছিল। এর আগের দিন ২২ আগস্ট রাতে একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা এলাকায় ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আবদুল মোনাফ কোম্পানির ছেলে ওমর ফারুককে নিজ বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

 

"